Published : 02 Aug 2026, 03:16 PM
রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ করিমকে ২৩ লক্ষ ১৮ হাজার ৩৫৮ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গত ৩ মে, সাহেদের অনুপস্থিতিতে আদালত এই রায় ঘোষণা করেন এবং আজ রোববার তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ঢাকার তৃতীয় যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আরিফুল ইসলাম এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। চেকের সমপরিমাণ অর্থ জরিমানাও তাঁকে শোধ করতে হয়েছে। আসামিপক্ষের আইনজীবী দবির উদ্দিন আদালতে জানান, একই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ১৬ জুলাই বাদী চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে আরেকটি মামলা দায়ের করেছিলেন। যদিও তারা সেই মামলার বিষয়ে অবগত ছিলেন না, কিন্তু চেক ডিজঅনারের এই মামলায় তাঁর অবস্থান স্পষ্ট ছিল।
সাহেদের অনুপস্থিতিতেই এই রায় ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে যখন তাঁকে জামিন আবেদন করা হয়, আদালত তা খারিজ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। জানা গেছে, সাহেদের বিরুদ্ধে মোট ৩৫টিরও বেশি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অস্ত্র, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনসহ বিভিন্ন গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। এই মামলার প্রেক্ষাপটে আরও জানা যায়, বাহার ট্রেডার্স ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী হাফিজ উদ্দিন বাহার ২০২০ সালের ২৬ জুলাই চেক ডিজঅনারের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী সরবরাহের চুক্তির অংশ হিসেবে সাহেদ কর্তৃক ২৩ লক্ষ ১৮ হাজার ৩৫৮ টাকার একটি চেক প্রদান করা হয়েছিল।
চুক্তি অনুসারে কিছু অর্থ নগদ পরিশোধ হলেও পরবর্তীতে তিনি চেকের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করতেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ না করায় ২০২০ সালের ২৬ জুলাই মামলাটি দায়ের করা হয়। এছাড়াও, গত ২০ জুলাই রাজধানীর ইসিবি চত্বর থেকে মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার চেক ডিজঅনারের আরেকটি মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ভিত্তিতে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে পল্লবী থানার পুলিশ। এই ঘটনার পর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। করোনা মহামারির সময় নমুনা পরীক্ষা নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগে আলোচনায় আসা সাহেদের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে, যা এই মামলার একটি অংশ।।
গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে সাতক্ষীরার আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলামকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ