Published : 20 Aug 2026, 12:16 AM
বিএনপির সদ্য সাবেক মহাসচিব এবং রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক আবেগঘন বক্তব্যে ঘোষণা করেছেন যে, দল তাকে যে মর্যাদা ও দায়িত্ব প্রদান করেছে, তা তিনি জীবন উৎসর্গ করেও অক্ষুণ্ণ রাখবেন। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে তিনি কোনো প্রকার আপস করবেন না—এই ছিল তাঁর বক্তব্য। বুধবার (১৯ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের সভায় এই কথাগুলো তিনি তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এই সভাটি সম্পন্ন হয়। বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম দলের প্রতিষ্ঠাতা এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিও তাঁর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালনের সময় যদি কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকে, তবে তার জন্য তিনি ক্ষমা চেয়ে নেন।
বক্তব্য শেষে তিনি সহকর্মীদের কাছে দোয়া চান এবং বঙ্গভবনে যাওয়ার আগে তাদের মিস করার কথা উল্লেখ করেন। একই সাথে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য তাঁর পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি দলীয় সংসদ সদস্যদের প্রতি। বক্তব্য চলাকালীন উপস্থিত কিছু সদস্য জানান, মির্জা ফখরুল ইসলাম ইসলাম আলমগীর কেঁদেছিলেন, যা সভাকক্ষে এক গভীর আবেগ সৃষ্টি করে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এই আবেগে প্রভাবিত হন বলে জানান। পরবর্তী অংশে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করার জন্য দলীয় সংসদ সদস্যদের কাছে ভোট চাওয়ার আবেদন জানান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সংসদ সদস্যদের সতর্ক করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, দলীয় প্রতীক ছাড়া এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় তা চ্যালেঞ্জিং হবে।
সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, 'এলাকায় দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হচ্ছে, এই বিষয়ে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। কোনোভাবেই এই দূরত্ব সৃষ্টি হতে দেওয়া যাবে না। সংসদ নির্বাচনে অনেক সময় দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রার্থী হওয়ার কারণে দল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যেন কেউ দল-সমর্থিত প্রার্থীর বিরুদ্ধে না যান, সেদিকে লক্ষ্য রেখে এখনই কাজ শুরু করতে হবে। গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের মনোনয়ন দিয়ে তাদের জয় নিশ্চিত করতে হবে।'।
কলকাতায় হোটেল দগ্ধ, বাংলাদেশিসহ নয়জনের মর্মান্তিক মৃত্যু; এ কী ছিল আসল কারণ?