Published : 11 Aug 2026, 11:16 PM
তাছলিম আহমেদ ও তাওফিক আহমেদ নামে যমজ দুই ভাই সম্প্রতি এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করে পরিবারে আনন্দের বন্যা বইয়ে দিয়েছেন। এই সাফল্যের মধ্যে তাদের মধ্যে একজন উপজেলায় সর্বোচ্চ নম্বর লাভ করেন। এই দুই মেধাবী ছাত্র ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর সরকারি মডেল পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষা দেন। পরীক্ষার ফলাফলে তাছলিম আহমেদ মোট ১২৫০ নম্বরের মধ্যে ১১৯৫ পেয়ে উপজেলার প্রথম স্থান অধিকার করেন, আর তার ভাই তাওফিক আহমেদ ১১৮০ নম্বর পেয়ে ষষ্ঠ স্থানে অবস্থান করেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নেছার আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তাছলিম ও তাওফিকের এই অসাধারণ সাফল্যে শিক্ষক, অভিভাবক এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা অত্যন্ত আনন্দিত। কোটচাঁদপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয়ের একাডেমিক সুপারভাইজার ফারুক আহমেদ এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাজনীন সুলতানার সন্তান এই দুই ভাইয়ের অনুপ্রেরণা। মা নাজনীন সুলতানা জানান, ছোটবেলা থেকেই তাছলিম ও তাওফিক পড়াশোনায় অত্যন্ত আগ্রহী ছিল।
তারা খেলাধুলার পাশাপাশি নিয়মিত অধ্যয়নের মাধ্যমে এই সাফল্য অর্জন করেছে। মাত্র পনেরো নম্বরের ব্যবধানে তাদের মধ্যে এই কৃতিত্ব প্রদর্শন করা হয়েছে। তার দুই সন্তানের সাফল্যে তিনি গভীরভাবে খুশি বলে মন্তব্য করেন। ফারুক আহমেদ জানান, তাঁর তিন সন্তানের মধ্যে বড় ছেলে তাহমিদ আহমেদ বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবটিকস অ্যান্ড মেকাট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং-এ পড়াশোনা করছেন। যমজ দুই ভাই এবার উচ্চ শিক্ষায় তাদের মেধার পরিচয় দিয়েছে। তারা স্বপ্ন দেখেন বিশ্বের কাছে দেশকে উন্নত করার লক্ষ্যে প্রকৌশলী হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে। এই লক্ষ্য পূরণের জন্য তাঁরা সবার কাছে দোয়া কামনা করেছেন। তাছলিম ও তাওফিক জানিয়েছে, মা-বাবা, ভাই এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিরন্তর সহযোগিতার কারণেই তারা এই ভালো ফল করতে সক্ষম হয়েছে।
তাদের সকলের উচ্চাকাঙ্ক্ষা হলো বুয়েটে পড়াশোনা করে প্রকৌশলী হওয়া। এই দুই ভাইয়ের প্রতি কোটচাঁদপুর সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মফিজুর রহমান আরও বলেন, জমজ দুই ভাই তাছলিম আহমেদ ও তাওফিক আহমেদ কেবল পড়ালেখাতেই নয়, খেলাধুলা এবং কুইজ প্রতিযোগিতাসহ সকল ক্ষেত্রেই পারদর্শী। তারা বিদ্যালয়ের সাতজন খুদে বিজ্ঞানীর মধ্যে দুজন। তাদের এই অসাধারণ মেধা প্রমাণ করে যে তারা ভবিষ্যতের উজ্জ্বল নক্ষত্র। তারা নাসায় গবেষণামূলক একটি প্রতিবেদন জমা দিয়ে বিশ্বে দশম গ্রেডে প্রথম স্থান অর্জন করেছিল। তাদের এই অভাবনীয় সাফল্যে গোটা বিদ্যালয় গর্বিত।।
কলম্বিয়ার ধ্বংসস্তূপের গভীরে ফিসফিসানি শুনে উদ্ধার হলো শিশু ও এক ব্যক্তির জীবন