Published : 12 Aug 2026, 08:16 AM
থাইল্যান্ডের ফুকেট থেকে ভারতের দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান মাঝ আকাশে হঠাৎ তীব্র ঝাঁকুনি বা টার্বুলেন্সের শিকার হয় এবং মুহূর্তের মধ্যে প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়। এই অপ্রত্যাশিত ঘটনার ফলে যাত্রী ও ক্রু সদস্যদের মধ্যে ১৭ জন আহত হন। এই বিপর্যয়ের তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। সরকারি সূত্র অনুযায়ী, গত ৪ আগস্ট থাইল্যান্ডের ফুকেট থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার এ-৩২০ মডেলের 'এআই২৩৭৯' (রেজিস্ট্রেশন নম্বর ভিটি-ইএক্সও) ফ্লাইটটি উড্ডয়নের সময় এই বিপত্তি ঘটিয়েছিল।
যদিও পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে এবং বিমানটি নিরাপদে দিল্লিতে অবতরণ করে। দুর্ঘটনার পরপরই নির্ধারিত জরুরি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ফ্লাইটের উভয় পাইলট—বিশেষত পাইলট-ইন-কমান্ডের (প্রধান চালকের) সাইকোঅ্যাকটিভ পদার্থের পরীক্ষা করা হয়। প্রাথমিক যাচাইয়ে যে ফলাফল আসে, তা নিশ্চিতকরণের জন্য আরও গভীর পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, চূড়ান্ত নিশ্চিতকরণ পরীক্ষায় এয়ার ইন্ডিয়ার ওই প্রধান পাইলটের দেহে গাঁজা বা মারিজুয়ানার উপস্থিতি পজিটিভ প্রমাণিত হয়েছে।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহন নিয়ন্ত্রণ সংস্থা 'ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল অ্যাভিয়েশন' (ডিজিসিএ) ককপিটের দুই ক্রুকে সাময়িকভাবে উড্ডয়ন দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। পুরো ঘটনাটিকে অত্যন্ত গুরুতর বলে বিবেচনা করে ভারতীয় 'এয়ারক্রাফট অ্যাকসিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো' (এএআইবি) এই ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে। এই সময়ে, এয়ারলাইনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যাম্পবেল উইলসনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রকের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন।।
কলম্বিয়ার ধ্বংসস্তূপের গভীরে ফিসফিসানি শুনে উদ্ধার হলো শিশু ও এক ব্যক্তির জীবন