Published : 29 Jun 2026, 07:08 AM
ফ্যামিলি কার্ডের ভাতা সংক্রান্ত বিষয়ে সুবিধাভোগীরা কী পদক্ষেপ নিচ্ছেন এবং এর প্রকৃত প্রভাব কী হচ্ছে, তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি স্পষ্ট করেন যে, এই ভাতা প্রাপ্ত পরিবারগুলো স্বাস্থ্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে কতটা উন্নতি লাভ করেছে, সেই দিকগুলো খতিয়ে দেখা হবে। রাজস্বের একটি বড় অংশ এই খাতে ব্যয়িত হবে এবং প্রতি বছর বরাদ্দ দেওয়া হবে। এই অর্থ দিয়ে সুবিধাভোগীদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হচ্ছে কিনা, তা মূল্যায়ন করা হবে। আজ সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার কমিটির চতুর্থ বৈঠকে অর্থমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। বৈঠকে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনিক ব্যয় পর্যালোচনা ও অনুমোদন দেওয়া হয়। এছাড়াও, ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন (সংশোধন) নীতিমালা ২০২৬ চূড়ান্ত করা এবং ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০২৬-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠকে সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, অর্থসচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদার, সমাজকল্যাণ সচিব মোহাম্মদ আবু ইউসুফ এবং পরিকল্পনা সচিব এস এম শাকিল আখতারসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অর্থমন্ত্রী আরও জানান, প্রকৃত সুবিধাভোগীরা যাতে কার্ড পেতে পারেন, সেই কারণে বাছাই প্রক্রিয়ায় কোনো দলীয় লোক রাখা হয়নি। তিনি সংশ্লিষ্টদের কাছে আহ্বান জানান যেন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষজন যেন এই কার্ডের সুবিধা পান, সেদিকে নজর রাখা হয়। সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন নিশ্চিত করেন যে, চার বছরে ৪ কোটি ১০ লক্ষ পরিবারের কাছে এই কার্ড প্রদান করা হবে এবং আগামী অর্থবছরে আরও ৪১ লক্ষ পরিবার পাবে। ভাতা প্রদানের প্রক্রিয়াটি প্রথম দিন থেকেই জাতীয় পরিচয়পত্রভিত্তিক (এনআইডি) করা হয়েছে। অন্য কোনো সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় থাকা ব্যক্তিরা এই কার্ড পাবেন না। কেউ তথ্য গোপন করলেও অর্থ মন্ত্রণালয় তা জানতে পারবে।
এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সুবিধাভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তিনি আরও জানান, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতারা যাতে নিজেদের লোকদের এই কর্মসূচির আওতায় আনতে না পারেন, সেজন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে জানানো হয় যে, চার বছর পর পর নতুন করে সুবিধাভোগীদের চিহ্নিত করা হবে। যাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে, তারাই এই কর্মসূচির আওতায় আসবেন।।
শান্তি চুক্তির পর ইরান থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রস্তুতি ইউরোপীয় চার দেশের