Published : 28 Jun 2026, 03:44 AM
নেদারল্যান্ডস ও জাপানের মধ্যে ফুটবল লড়াই এক শ্বাসরুদ্ধকর অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে নেদারল্যান্ডস পঞ্চম স্থানে থাকলেও, এই ম্যাচে পিছিয়ে থাকা জাপান কতটা বিপজ্জনক, তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে ২-২ ড্র-এর মাধ্যমে। চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপে জার্মানি ও স্পেনকে পরাজিত করে শেষ ষোলোয় উঠে আসা 'সামুরাই ব্লু' দল আজ ডালাস স্টেডিয়ামে নেদারল্যান্ডসকে আটকে দেয়। ম্যাচের প্রথম ভাগটি ছিল গোলশূন্য। কিন্তু পরের অর্ধটি ছিল এক সত্যিকারের 'থ্রিলার'। ম্যাচের ৫১ মিনিটে ডাচ অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইকের গোলে ডাচরা এগিয়ে যায়। এই গোলটি ছিল বিশেষ, কারণ ক্রসটি দিয়েছিলেন ডাইকের লিভারপুল সতীর্থ রায়ান গ্রাভেনবার্চ। বড় টুর্নামেন্টের ইতিহাসে ডাইকের হয়ে এটিই প্রথম গোল। জাপান মাত্র ছয় মিনিটের মধ্যে সমতা ফেরাতে সক্ষম হয়।
বাঁ প্রান্ত থেকে ডাচদের বক্সে ফাঁকা জায়গা তৈরি করে মিডফিল্ডার কেইতো নাকামুরার শট জালে জড়ায়। এরপর আরও এক গোল আসে ৬৪ মিনিটে। ডাচরা আবারও এগিয়ে যায়। এবার গোলদাতা ছিলেন ফরোয়ার্ড ক্রিসেনসিও সামারভিল। ম্যাচে তিনটি চমৎকার সেভ করে জাপানের গোলরক্ষক জিওন সুজুকি এই গোল আটকাতে সক্ষম হন। খেলা আরও গতিশীল হয়। বদলি নামা ফরোয়ার্ড কোকি ওগাওয়ার কল্যাণে জাপানের আক্রমণ আরও তীব্র হয়। ৮৮ মিনিটে কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে হেড করেন ওগাওয়া। বলটি এরপর কামাদার মাথা ছুঁয়ে জালে জড়ায়।
এই গোলটি মূল কারিগর ওগাওয়া হলেও স্কোরবোর্ডে লেখা হয় কামাদার নাম। বিশ্বকাপে হেড থেকে এটি জাপানের চতুর্থ গোল। এই ড্র-এর মাধ্যমে নেদারল্যান্ডস বুঝতে পারে, পিছিয়ে থাকা জাপান কতটা শক্তিশালী। যদিও নেদারল্যান্ডসের দলও বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে টানা ১৭ ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ড ধরে রেখেছে। অন্যদিকে, দক্ষিণ কোরিয়া ও অস্ট্রেলিয়া নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয় নিশ্চিত করেছে। এই ফলাফল বুঝিয়ে দেয় যে এএফসি দলগুলো এখন বিশ্বকাপে বেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে।।
শান্তি চুক্তির পর ইরান থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রস্তুতি ইউরোপীয় চার দেশের