Published : 31 May 2026, 01:56 PM
শুক্রবার কলকাতার আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায় এবং প্রবল বেগে ঝড় আঘাত হানে। এই দুর্যোগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একজন মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও, শহরের প্রায় ২৫টি স্থানে গাছ উপড়ে পড়ায় যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়। অনেক গাছের ডাল গাড়ির উপর পড়ায় গাড়িগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হুগলি নদীর প্রিন্সেপ ঘাটের কাছে রেললাইনের উপর একটি গাছ ভেঙে পড়লে তারে আগুন ধরে যায়। এসময় সড়কের উপর ঝরে পড়া আম কুড়াতে গিয়ে এক ব্যক্তি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। এখনো পর্যন্ত তাঁর পরিচয় জানা যায়নি, তবে রেল চিকিৎসকরা মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ঝড়ের তীব্রতা ছিল ঘন্টায় প্রায় ৮৮ কিলোমিটার। লেন্স ডাউন, মুদিয়ালী, সল্টলেক, সাউদার্ন অ্যাভিনিউ, হরিস মুখার্জী রোড, ময়দান, রফি আহমেদ কিদোয়াই রোড, পাতিপুকুর, কাঁকুড়গাছি, খিদিরপুর, পিজি হাসপাতাল, হাইল্যান্ড পার্ক, প্রিন্সেপ ঘাট, লেক গার্ডেন্স, টালা পার্ক সহ বিভিন্ন এলাকায় গাছ পড়ে রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে যায়। শিয়ালদহ-বনগাঁ লাইনে ট্রেন চলাচলও ব্যাহত হয়। কলকাতা বিমানবন্দরে জল জমে যাওয়ায় প্রায় এক ঘণ্টার জন্য বিমান ওঠানামা বন্ধ ছিল। শহরের বিভিন্ন রেললাইনেও জল জমে যায়, যার মধ্যে পিজি হাসপাতাল সড়ক এবং আম হার্টস্টিটও অন্তর্ভুক্ত। হরিস মুখার্জী রোডে গাছ ভেঙে একটি গাড়ির উপর পড়লে গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়, তবে চালক দ্রুত গাড়ি থেকে বেরিয়ে প্রাণে বাঁচেন। যাদবপুরে একটি ট্রাফিক সিগন্যালের খুঁটি ভেঙে পড়ে।
কলকাতা শহরের রাস্তা থেকে ভেঙে পড়া গাছ সরানোর কাজে বিপর্যয় মোকাবিলা দল দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। কর্মীরা গাছ কাটার করাত দিয়ে বড় বড় গাছ কেটে রাস্তা পরিষ্কার করছেন। অন্যদিকে, কলকাতা পুরসভা রাস্তায় জমে থাকা জল নিষ্কাশনের জন্য পাম্প মেশিন চালু করেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য রাজ্য সরকার কন্ট্রোল রুম খুলেছে এবং জরুরি পরিষেবা চালু রেখেছে।।
ইরান চুক্তি: решающий মুহূর্ত, ট্রাম্পের ‘সিচুয়েশন রুমে’ গভীর আলোচনা