Published : 18 Jul 2026, 08:12 AM
১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের চূড়ান্ত লড়াইয়ের স্বপ্ন দেখেছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে সেই স্বপ্ন ভেঙে যায়। যদিও ফাইনালে ওঠার সুযোগ না পেলেও, হ্যারি কেইনের সামনে এখন তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করার সুযোগ। এই গুরুত্বপূর্ণ তৃতীয় স্থান নির্ধারণী লড়াইয়ে ১৯ জুলাই তারা ফ্রান্সের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে। ম্যাচের আগে ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুখেল স্বীকার করেছেন, এই হতাশা এতটাই গভীর যে দলের কোনো খেলোয়াড়ই এই ম্যাচ খেলতে আগ্রহী নয়। তাদের সকলের আকাঙ্ক্ষা হলো ফাইনাল খেলা। যদিও প্রতিটি দলই শিরোপা জয়ের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে, কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। ফ্রান্সের তুলনায় তাদের বিশ্রামের সময়ও কম। তবুও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে তারা এই ম্যাচ খেলবে।
সেমিফাইনালে হারের পর ইংলিশ কোচ টুখেল সাংবাদিকদের বলেন, 'আমাদের কোনো খেলোয়াড়ই এই ম্যাচ খেলতে চায় না। একই কথা ফ্রান্সের খেলোয়াড়দেরও।' তিনি আরও যোগ করেন, 'সবাই ফাইনাল খেলতে চায়। আমরা সেই লক্ষ্য পূরণের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। প্রতিটি দলই বিশ্বকাপ জেতার জন্য মাঠে নামে, কিন্তু ফলাফল ভিন্ন।' ম্যাচের শুরুতেই ৫৫ মিনিটে মর্গান রজার্সের ক্রস থেকে গোল করে ইংল্যান্ড এগিয়ে যায় অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে। এরপর টমাস টুখেল পাঁচজন ডিফেন্ডার দিয়ে রক্ষণ রক্ষা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু উইং ব্যবহার করে ইংলিশ রক্ষণকে পরাস্ত করে আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগ। এই রক্ষণাত্মক কৌশলের জন্য টমাস টুখেল সমালোচনার মুখে পড়েন।
সাবেক ইংলিশ ফুটবলার ওয়েইন রুনির মতে, অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক কৌশল নেওয়ায় আর্জেন্টিনা আরও বেশি চাপ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয় এবং শেষ পর্যন্ত তারা দুর্দান্তভাবে ম্যাচে ফিরে আসে। সমালোচনার মুখেও টুখেল বলেন, 'সেমিফাইনালে ওঠাটাই একটি বড় অর্জন। বিশ্বের অনেক শক্তিশালী দলও শেষ চারে পৌঁছাতে পারে না। এটা নিঃসন্দেহে সাফল্য। কিন্তু এই মুহূর্তে কেউই তা শুনতে চায় না—আমিও না। কারণ, আমরা নিজেদের কাছ থেকে অনেক বেশি প্রত্যাশা করি।' ।
ক্রিকেট জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের বিদায়: কিংবদন্তি গ্যারি সোবার্সের অমর স্মৃতি