Published : 05 Jun 2026, 09:12 AM
স্থগিত হওয়া ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার (যা ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল) ফলাফল প্রকাশের কাজ এখন চূড়ান্ত যাচাই-বাছাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে। এই সাড়ে ছয় লক্ষ শিক্ষার্থীর ফলাফলের খসড়া তৈরি হওয়ার পর এখন ত্রুটিমুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। ফলাফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ এখনই ঘোষণা করা হচ্ছে না, তবে খুব শীঘ্রই এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জনসমক্ষে আনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী আজ বৃহস্পতিবার প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন যে, ফলাফলে কোনো ধরনের ভুল যেন না থাকে, সেজন্য তারা পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাই করছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের পরই অভিভাবকেরা অনলাইন ও মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে সহজেই ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন। অনলাইনে রেজাল্ট দেখার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও সরকারি মাধ্যম হলো আইপিইএমআইএসপোর্টাল। সারা দেশে একযোগে এই বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
পার্বত্য তিন জেলা ব্যতীত দেশের অন্যান্য সব জেলায় গত ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত পরীক্ষা নেওয়া হয়। অন্যদিকে, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে বিশেষ সময়সূচিতে ১৭ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। এই বছর মোট সাড়ে ছয় লক্ষ শিক্ষার্থী এই প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল। মেধার ভিত্তিতে এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৮২ হাজার ৫০০ জনকে বৃত্তির জন্য নির্বাচিত করা হবে। মেধাতালিকা ও কোটার ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি (কিন্ডারগার্টেন) বিদ্যালয়কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ পাবেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, যার সুযোগ পাবেন ৬৬ হাজার শিক্ষার্থী। বাকি ২০ শতাংশ অর্থাৎ ১৬ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী বেসরকারি বা কিন্ডারগার্টেন বিদ্যালয় থেকে বৃত্তি পাবে।
মেধাতালিকায় ছাত্র ও ছাত্রীর জন্য সমান সুযোগ থাকবে, অর্থাৎ ৫০ শতাংশ করে নির্বাচন করা হবে। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের জন্য 'ট্যালেন্টপুল' ও 'সাধারণ গ্রেড' নামে দুটি ভাগে আর্থিক সুবিধা প্রদান করা হবে। ট্যালেন্টপুলে ৩৩ হাজার শিক্ষার্থীকে মাসিক ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা দেওয়া হবে। অন্যদিকে, সাধারণ গ্রেডে ৪৯ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীকে মাসিক ২২৫ থেকে ২৫০ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা দেওয়া হবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত এই আর্থিক সুবিধা পাবে। এছাড়াও, ভবিষ্যতে এই বৃত্তির অর্থ দ্বিগুণ থেকে চার গুণ পর্যন্ত বাড়ানোর একটি প্রস্তাবনা বর্তমানে সরকারের পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে বলে অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।।
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কার্যকলাপের বিরুদ্ধে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের তীব্র প্রতিবাদ মিছিল