Published : 25 Aug 2026, 08:17 AM
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক চূড়ান্ত অনুমোদিত হলো আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) জন্য একটি নতুন আইন। এই আইনে বাহিনীর সদস্যদের ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট কাজ পরিচালনার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, পাশাপাশি বিচার প্রক্রিয়ার জন্য বিশেষ আদালত ও সংক্ষিপ্ত আদালতের ব্যবস্থা রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৮তম বৈঠকে এই খসড়াটি চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে এই আইনটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রস্তুত। এই নতুন আইনটি ১৯৭৯ সালের 'দি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অর্ডিন্যান্স' বাতিল করে বাংলায় প্রণীত হচ্ছে। এর মাধ্যমে পুরনো অধ্যাদেশের অধীনে চলমান কার্যক্রমের সুরক্ষা বজায় রেখে আইনটিকে বর্তমান সময়ের উপযোগী করে তোলা হয়েছে।
পূর্বে জনমত যাচাইয়ের জন্য এই খসড়াটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছিল। প্রস্তাবিত আইনে এপিবিএনকে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ভিআইপি ব্যক্তিদের নিরাপত্তা প্রদান এবং সরকার ঘোষিত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর সুরক্ষায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, সন্ত্রাস, মাদক, মানব পাচার, ধর্ষণ এবং মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রেও এই বাহিনীর ভূমিকা থাকবে। অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার দায়িত্বও আইনে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। আইনের অধীনে এপিবিএন পুলিশ বাহিনীর অধীনস্থ থাকবে এবং পুলিশের একজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত অন্যান্য আইন মেনে, এপিবিএনের সদস্যরা ফৌজদারি অপরাধের তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন।
সরকারের মতে, এই নতুন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে এপিবিএনের আইনি কাঠামো বর্তমান সময়ের চাহিদা অনুযায়ী আরও সুসংহত হবে এবং তাদের দায়িত্ব ও বিচারিক প্রক্রিয়া স্পষ্ট হবে। নতুন আইনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এপিবিএন সদস্যদের ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা প্রদান। এর ফলে বাহিনীটি কেবল সশস্ত্র নিরাপত্তা বা অভিযান পরিচালনায় সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং নির্দিষ্ট আইনি কাঠামোর অধীনে অপরাধ তদন্তেও সরাসরি ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। বাহিনীর কার্যক্রম বর্তমানে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও বিশেষায়িত আইনশৃঙ্খলা দায়িত্বের মধ্যে বিস্তৃত—নতুন আইন সেই ভূমিকার আইনি ভিত্তি আরও মজবুত করবে। প্রস্তাবিত আইনে বাহিনীর নিজস্ব বিচারিক ব্যবস্থার জন্য বিশেষ আদালত ও সংক্ষিপ্ত আদালত গঠনের বিধান রাখা হয়েছে, যা সদস্যদের শৃঙ্খলা এবং বিচার সংক্রান্ত বিষয়ে একটি নির্দিষ্ট কাঠামো তৈরি করবে।।
আমানত ফেরতের দাবিতে গ্রাহকদের তীব্র ক্ষোভ: ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের জোনাল অফিসে বিক্ষোভ