Published : 14 Aug 2026, 11:16 PM
আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পাওয়া নতুন হলিউড সিনেমা ‘দ্য এন্ড অব ওক স্ট্রিট’ দর্শকদের এক অজানা জগতে টেনে নিয়ে গেছে। একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সেও এই সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে। মাল্টিপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি সায়েন্স ফিকশন, রহস্য এবংเอา বেঁচে থাকার থ্রিলার ঘরানার এক অসাধারণ সৃষ্টি। পরিচালক ডেভিড রবার্ট মিশেলের হাত ধরে তৈরি এই সিনেমায় অ্যান হ্যাথাওয়ে, ইউয়ান ম্যাকগ্রেগর, মেইসি স্টেলা এবং ক্রিশ্চিয়ান কনভেরিসহ বহু তারকা অভিনয় করেছেন। তাঁরা একটি পরিবারের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন, যারা হঠাৎ করেই তাদের চারপাশের প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীদের আবির্ভাবের মতো অবিশ্বাস্য ঘটনার সম্মুখীন হয়। গল্পের কেন্দ্রবিন্দু হলো এই পরিবার। তারা ১৯৮০-এর দশকের এক সাধারণ শহরতলির শান্ত পরিবেশে বসবাস করত।
কিন্তু একদিন এক রহস্যময় মহাজাগতিক ঘটনার পর তাদের পরিচিত জগৎ সম্পূর্ণ বদলে যায়। অদ্ভুত অভিজ্ঞতার পরে তারা আবিষ্কার করে, নিজেদের বাড়িঘর, রাস্তাঘাট এবং চারপাশের পরিবেশ যেন অন্য কোনো বাস্তবতার অংশ। ওক স্ট্রিটের সামনে উন্মুক্ত হলো বিশাল অচেনা জঙ্গল, আর রাস্তার শেষ প্রান্ত যেন এক সুবিশাল খাদে এসে থেমে গেছে। চারপাশে ঘুরে বেড়ায় প্রাগৈতিহাসিক জীবজন্তু, যার মধ্যে ডাইনোসরদের উপস্থিতি সবচেয়ে ভয়ংকর। সিনেমাটি মূলত এই পরিবারের টিকে থাকার তীব্র সংগ্রামের গল্প। খাদ্য, নিরাপত্তা এবং নিজেদের সন্তানদের রক্ষা করার জন্য তারা প্রতিনিয়ত লড়াই করে। কিন্তু শুধু ডাইনোসরের বিপদই তাদের সামনে নয়, অচেনা পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া এবং পরিবারের সদস্যদের মধ্যে তৈরি হওয়া মানসিক টানাপোড়েনও তাদের জন্য এক বিরাট চ্যালেঞ্জ।
নির্মাতারা এই রহস্যের উত্তর আজও গোপন রেখেছেন—তারা কীভাবে অন্য জগতে চলে গেল? তারা কি সত্যিই অতীতে পৌঁছে গেছে? ডাইনোসররা কোথা থেকে এলো? আর তারা কি নিজেদের পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারবে? ট্রেলার এবং প্রকাশিত তথ্য ইঙ্গিত দেয় যে সিনেমাটি কেবল ডাইনোসরদের হাত থেকে পালানোর গল্প নয়; বরং এই অস্বাভাবিক ঘটনার পেছনের মূল রহস্যটাই গল্পের প্রধান আকর্ষণ। পরিচালক ডেভিড মিশেল জানিয়েছেন, তাঁর শৈশবের শহরতলির অভিজ্ঞতা থেকেই এই ধারণার জন্ম। ছোটবেলায় তিনি অনুভব করতেন, সাধারণ গলি বা রাস্তার শেষ প্রান্তও যেন অন্য কোনো জগতের মতো রহস্যময় ছিল। তিনি চেয়েছিলেন ডাইনোসরদের দেখানো ভয় নয়, বরং একটি সাধারণ পারিবারিক পটভূমিতে অস্বাভাবিক ও ভয়ঙ্কর কিছু প্রবেশ করানো। অ্যান হ্যাথাওয়ের অভিনয় নিয়েও পরিচালক অত্যন্ত সন্তুষ্ট। মিশেল মনে করেন, যখন গল্পে ভয়, রহস্য এবং বিপদ আসে, তখন হ্যাথাওয়ে চরিত্রের মধ্যে শক্তি, আতঙ্ক এবং অসহায়ত্বকে এত বিশ্বাসযোগ্যভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন যে তা দর্শকদের গভীরভাবে স্পর্শ করেছে।।
জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ শুরু: শিল্প ও গ্রাহকদের গ্যাস সংকটে স্বস্তি, পূর্ণ সক্ষমতায় ফেরার আশা