Published : 14 Aug 2026, 06:16 AM
নির্বাচন কমিশন (ইসি) এবার জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে। এখন থেকে এই প্রক্রিয়াটি মাঠ পর্যায়ের স্তরেই সম্পন্ন করা যাবে, যা নাগরিকদের জন্য অনেক সহজ করে তুলবে। এই প্রক্রিয়ায় আবেদনগুলিকে 'ক' ক্যাটাগরি হিসেবে গণ্য করে সরাসরি মাঠ পর্যায়ে নিষ্পত্তি করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ইসির এনআইডি বিভাগ থেকে জারি করা একটি নতুন পরিপত্রে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এই নতুন নিয়ম অনুযায়ী, মাঠপর্যায়ের উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসার, সিনিয়র জেলা বা জেলা নির্বাচন অফিসার এবং এনআইডি উইংয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এখন থেকে সরাসরি এনআইডির জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তি করতে পারবেন।
তবে মনে রাখতে হবে, শিক্ষা সনদের মতো অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রমাণ বা দলিল গ্রহণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। এছাড়াও, সংশোধনের আবেদন ইলেকট্রনিকভাবে অনুমোদন বা বাতিল করার সময় কেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে অবশ্যই বিস্তারিত নোট দিতে হবে। তদারকির জন্য নির্বাচন কমিশন আরও জানিয়েছে যে, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা তাদের অধীনস্থ কর্মকর্তাদের কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবেন। এই পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে প্রতি মাসে দৈবচয়নের ভিত্তিতে প্রত্যেক নিষ্পত্তিকারী কর্মকর্তার ন্যূনতম তিনটি আবেদন সঠিকভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে কিনা, তা যাচাই করতে হবে। এর জন্য নির্ধারিত ছক অনুযায়ী প্রতিবেদন প্রস্তুত করে পরিচালক (অপারেশন্স)-এর ইন্টারনাল অ্যাকাউন্টে জমা দিতে হবে।
নির্দেশনায় আরও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ অনুযায়ী জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন এবং জন্মতারিখসহ নিজের নাম ও পিতামাতার নামের সম্পূর্ণ পরিবর্তন সংক্রান্ত আবেদনগুলো মহাপরিচালক পর্যায়েই নিষ্পত্তি করতে হবে। একই সাথে, জন্মতারিখ, নিজের নাম এবং পিতামাতার নামের ক্ষেত্রে একই ফিল্ডে দ্বিতীয়বার সংশোধন করার কোনো সুযোগ থাকবে না। নির্বাচন কমিশন এই সকল নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছে।।
তিন দশকের রহস্য: যৌন নির্যাতনের অভিযোগে যে বাংলাদেশি চিকিৎসককে তাড়া করছে এফবিআই