Published : 13 Aug 2026, 06:16 AM
সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির মাধ্যমে মার্কিন সংস্থা গানভর ইউএসএ এলএলসি থেকে আগামী তেরো বছরে মোট ১১৭ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। এই সিদ্ধান্তটি সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) পদ্ধতিতে সম্পন্ন হবে। বুধবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। এই চুক্তি অনুযায়ী, পেট্রোবাংলা যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিটির সঙ্গে এই লেনদেনের চুক্তি স্বাক্ষর করবে। এই আমদানি ২০২৬ সাল থেকে ২০৩৮ সাল পর্যন্ত চলবে।
অনুমোদিত প্রস্তাব অনুসারে, চলতি বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালে ৫ কার্গো এলএনজি সরবরাহ করা হবে। এরপর ২০২৭ সালে ৬ কার্গো এবং ২০২৮ সালে ৩ কার্গো এলএনজি সরবরাহ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই ১৪ কার্গো এলএনজি সরবরাহের জন্য দর নির্ধারণ করা হয়েছে এশিয়ার স্পট মার্কেট প্রাইস (জেকেএম) এর সাথে অতিরিক্ত ০.০৮৭৫ ডলার যোগ করে। আরও তথ্য অনুযায়ী, পরবর্তীতে মার্কিন কোম্পানিটির সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এই দাম কমানোর সুযোগ পাওয়া গেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তির অংশ হিসেবে জ্বালানি ও বাণিজ্য সহযোগিতার আওতায় দীর্ঘমেয়াদী এলএনজি আমদানির বিষয়টি বিশেষভাবে অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এই চুক্তির অধীনে বাংলাদেশ প্রায় ১৫ বছরে ১৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের মার্কিন এলএনজি আমদানি করার পরিকল্পনা করে, যার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো গানভর ইউএসএ এলএলসির সঙ্গে এই চুক্তি সম্পন্ন করা। এছাড়াও, ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে হংকং থেকে চলতি বছর ২ কার্গো এলএনজি আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে, যার মূল্য প্রতি এমএমবিটিইউ ১৪.৯৫ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি, যুক্তরাজ্যের ব্ল্যাককিউব ইন্টারন্যানশনাল থেকে প্রতি এমএমবিটিইউ ১৫.৫০ ডলার দরে ২ কার্গো এবং ওমানের ম্যাক্সওয়েল ইন্টারন্যাশনাল এসপিসি থেকে জেকেএম + ০.৫৪ ডলার/এমএমবিটিইউ দরে ২ কার্গো এলএনজি আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদিত হয়েছে।।
আগামী দশ বছরে বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সরকারের মহাপরিকল্পনা প্রকাশ করবেন: প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা