Published : 29 Jul 2026, 12:27 PM
সৌদি আরব এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে ইরান সমর্থিত বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর ওপর যৌথ সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে। এই হামলায় পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ) জানিয়েছে, তাদের আটজন সদস্য নিহত এবং চারজন আহত হয়েছে। সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এক বিবৃতিতে দাবি করেছে যে তারা মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) সঙ্গে সমন্বয় করে এই আক্রমণটি চালিয়েছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক ড্রোন হামলার প্রতিক্রিয়ায়ই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। সৌদি পক্ষ অভিযোগ করেছে যে ইরাকের ভূখণ্ড থেকে ইরান-সমর্থিত 'সন্ত্রাসী মিলিশিয়া'রা রিয়াদ ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের তেল স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা করছিল।
সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেই সমস্ত ড্রোন ধ্বংস করে বলে দাবি করা হয়েছে। সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে দিয়েছে যে তারা কোনো উত্তেজনা সৃষ্টি করতে চায় না, তবে যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কঠোর জবাব দেওয়া হবে। এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে পিএমএফ ঘোষণা করেছে যে এটি ইরাকের সার্বভৌমত্বের চরম লঙ্ঘন। এদিকে, ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদি বৃহস্পতিবার সৌদি আরবের সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এর আগে তিনি সৌদি আরবে ড্রোন হামলার ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন।
ইরাকি সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে তারা কোনো বন্ধুত্বপূর্ণ বা ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের বিরুদ্ধে নিজেদের ভূখণ্ডকে আক্রমণের উৎস বা নিক্ষেপণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার হতে দেবে না। অন্যদিকে, ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী 'ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক' সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে এই দাবিকে 'বানোয়াট' বলে আখ্যায়িত করেছে। তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে সৌদি আরবের যেকোনো ভুল পদক্ষেপের জবাব কঠোরভাবে দেওয়া হবে।।
বিখ্যাত সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধার বিদায়: কিসমত খন্দকারের আত্মার শান্তি কামনা