Published : 24 May 2026, 01:42 PM
বাংলা ১ম পত্র: সহপাঠ উপন্যাস: লালসালু ১. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়— ১৯৬৮ সালে। ২. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘নয়নচারা’ গল্পগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়—১৯৪৬ সালে। ৩. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘লালসালু’ উপন্যাসটি অন্য ভাষায় অনূদিত হয়েছে— ফরাসি ও ইংরেজি ভাষায়। ৪. ‘কিন্তু দেশটা কেমন মরার দেশ’ বলা হয়েছে— কারণ এখানে শস্য তেমন জন্মায় না। ৫. মজিদের শারীরিক গঠন ছিল— খুবই রোগা ও দুর্বল। ৬. মোদাচ্ছের পীরের কবর খুঁজে বের করার পর মজিদের চরিত্রে প্রকাশ পায়— মিথ্যা বলার প্রবণতা। ৭. বিভিন্ন গ্রাম থেকে মানুষজন মহব্বতনগরে আসতে শুরু করে— মাজারে মানত করার জন্য। ৮. মজিদ ভয় পেয়েছিল— রহিমার চোখের দিকে তাকিয়ে। ৯. দুদু মিঞার মুখে লজ্জার হাসি দেখা যায়— কারণ তিনি কলমা জানেন না। ১০. মজিদের শক্তির প্রধান উৎস ছিল— মাজার। ১১. মজিদের সাথে গ্রামের মানুষের সংযোগ স্থাপনকারী চরিত্রটি হলো— রহিমা। ১২. ঢেঙা বুড়োর হাতে মার খেয়ে হাসুনির মা আশ্রয় নেয়— মজিদের বাড়িতে। ১৩. ঝড় এলে হাসুনির মায়ের স্বভাব ছিল— খুব চেঁচামেচি করা। ১৪. মজিদ হাসুনির মায়ের কাছে চেয়েছিল— তামাক। ১৫. মজিদ হাসুনির মাকে একটি শাড়ি উপহার দিয়েছিল— বেগুনি রঙের। ১৬. মজিদের তৈরি করা মাজারে লোকজনের আনাগোনা কমে যায়— অন্য পীরদের প্রভাবের কারণে।
১৭. ‘পাথর এবার হঠাৎ নড়ে’— এই কথাটি দিয়ে বোঝানো হয়েছে— মজিদের অস্থিরতাকে। ১৮. আমেনা বিবি তার স্বামীকে পানিপড়া আনতে বলেছিল— সন্তান লাভের আশায়। ১৯. মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশ ছিল— নাটকীয় ও অপ্রত্যাশিত। ২০. জমিলা আমাদের সমাজের কোন অসংগতির শিকার— বাল্যবিবাহের। ২১. খোদার অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাজারে নালিশ করেছিল— খ্যাংটা বুড়ি, তার ছেলের মৃত্যুর ঘটনায়। ২২. ‘লালসালু’ উপন্যাসে যে পাড়ার উৎসবের কথা বলা হয়েছে— সেটি হলো ডোমপাড়া। ২৩. যার বিলাপ শুনে জমিলার মন খারাপ হয়েছিল— সেটি হলো খ্যাংটা বুড়ির। ২৪. মজিদের বাড়িতে জিকিরের জন্য যে মিষ্টি তৈরি করা হচ্ছিল, তার তদারকি করছিল— রহিমা ও জমিলা। ২৫. জিকির করতে করতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল— মজিদ। ২৬. এশার নামাজ পড়ার পর মজিদ মাজারে কী আওয়াজ শুনতে পেয়েছিল— সিংহের গর্জন। ২৭. জমিলা মজিদের মুখে থুতু ফেলেছিল। ২৮. ‘লালসালু’ উপন্যাসে চৌকাঠে বসলে ঘরে কী আসে বলে উল্লেখ আছে— বালা (অলঙ্কার)। ২৯. জমিলা হলো— সহজ ও প্রাণবন্ত জীবনের উজ্জ্বল প্রতীক। ৩০. গ্রামের মানুষের মন খারাপ হয়ে যায়— অনুশোচনার কারণে। ৩১. মজিদের শক্তি প্রতিফলিত হয়— রহিমার ওপর। ৩২. বুড়ো, হাসুনির মাকে মারধর করে— কারণ সে মজিদকে ঘরের কথা বলে দিয়েছিল।
৩৩. মজিদকে শিকড়গাড়া বৃক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করেছিল— ধর্ম। ৩৪. মজিদ মোনাজাতের ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে ছিল— মতিগঞ্জের সড়কের ওপর। ৩৫. আমেনা বিবির প্রতি মজিদের মনে জেগেছিল— লালসা। ৩৬. খালেক ব্যাপারীর সামনে কথা বলতে অস্বস্তি বোধ করে— ধলা মিঞা। ৩৭. জমিলার চোখ— শত্রুর আভাস পাওয়া হরিণের চোখের মতো সতর্ক হয়ে ওঠে। ৩৮. ‘লালসালু’ উপন্যাসে মজিদের মুখে জমিলার থুতু নিক্ষেপে প্রকাশ পায়— তীব্র ক্রোধ। ৩৯. মজিদ আগে বাস করত— গারো পাহাড়ে। ৪০. মজিদের দুদু মিঞাকে শাসন করার মধ্যে নিহিত ছিল— আধিপত্য বিস্তারের আকাঙ্ক্ষা। ৪১. রহিমার কাছে নিজের মৃত্যু কামনা করে— হাসুনির মা। ৪২. প্রথম যৌবনে মজিদ যেমন বউয়ের স্বপ্ন দেখত— হাসুনির মায়ের মতো। ৪৩. ঢেঙা বুড়োর বিচারে মজিদ যে সুরা পাঠ করেছিল— সুরা আন-নুর। ৪৪. ‘বতর’ শব্দের অর্থ— ফসল কাটার উপযুক্ত সময়। ৪৫. ‘ওনারে কইবেন, আমার যেন মওত হয়।’ এই আরজিটি করেছিল— হাসুনির মা।।