Published : 12 May 2026, 04:05 AM
বিদেশি দূতাবাস বা হাইকমিশনে ভিসা প্রক্রিয়াকরণের জন্য এতদিন ভিসা বন্ড বা জামানত হিসেবে অর্থ পাঠানো বেশ জটিল ছিল। তবে এখন বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকগুলোকে রেমিট্যান্সের মাধ্যমে এই অর্থ পাঠানোর অনুমতি দিয়েছে, যা প্রক্রিয়াটিকে অনেক সহজ করে দেবে। আজ সোমবার (১১ মে) কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। নতুন নির্দেশনার অধীনে, ব্যক্তিগত ভিসা আবেদনকারীরা তাদের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে সহজেই বিদেশে অর্থ পাঠাতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বিদেশে ভিসা আবেদনের সময় বাংলাদেশি নাগরিকরা যেসব সমস্যার সম্মুখীন হতেন, তা নিরসনের জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “আগে ভিসা পাওয়ার জন্য দূতাবাস বা হাইকমিশন যদি কোনো নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ জামানত হিসেবে চাইতো, তাহলে তা পাঠানো বেশ কঠিন ছিল। এখন বাংলাদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে বৈধভাবে এই অর্থ পাঠানো যাবে।” তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক উন্নত দেশ ভিসা আবেদনকারীদের আর্থিক সক্ষমতা যাচাই করে, যাতে তারা ভিসা শেষে দেশে ফিরে আসেন। এই সার্কুলার অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো আবেদনকারীর জন্য আন্তর্জাতিক বা ভার্চুয়াল কার্ড ইস্যু করতে পারবে এবং তাতে ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ আগে থেকেই লোড করে রাখা যাবে। এছাড়াও, যাদের কাছে ট্রাভেল এনটাইটেলমেন্ট সুবিধা আছে, তারা তাদের কার্ডে পুনরায় অর্থ লোড করে ভিসার জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।
তবে এই অর্থ শুধুমাত্র ভিসাসংক্রান্ত কাজেই ব্যবহার করা যাবে। রপ্তানিকারকদের রিটেনশন কোটা (ইআরকিউ) হিসাব, রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট (আরএফসিডি) হিসাব অথবা এসব হিসাবের বিপরীতে ইস্যুকৃত আন্তর্জাতিক কার্ডেও এই সুবিধা প্রযোজ্য হবে। ব্যাংকার এবং সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই নতুন নীতির ফলে ভিসা প্রক্রিয়া আরও দ্রুত এবং সহজ হবে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলোতে যেখানে আর্থিক নিশ্চয়তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।।
ব্যাংকিং খাতে চরম দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের প্রতিবাদে আইনজীবীদের স্মারকলিপি