Published : 16 Feb 2026, 11:06 PM
চট্টগ্রামের উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে সম্প্রতি একটি দলীয় ফলক লাগানো হয়েছে, যা নিয়ে নতুন করে কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার বিকেলে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দুটি ভিডিও ক্লিপে এই ঘটনা ধরা পড়ে। তবে, রাত আটটার মধ্যে নিউমার্কেটের দোস্ত বিল্ডিংয়ে অবস্থিত কার্যালয়টিতে গিয়ে আর সেই ফলকটির চিহ্ন পাওয়া যায়নি। কার্যালয়টি ভেতর থেকে তালাবদ্ধ ছিল। রাতের বেলায় উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কয়েকজন নেতা-কর্মীকে অবস্থান করতে দেখা যায়। ছড়িয়ে পড়া ৫২ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে দেখা যায়, দুই ব্যক্তি একটি ব্যানার হাতে নিয়ে কার্যালয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন এবং দরজার উপরে সেটি লাগিয়ে দেন।
এসময় তারা কোনো স্লোগান দেননি, তবে ভিডিও ধারণকারীকে ‘জয় বাংলা’ বলে চিৎকার করতে শোনা যায়। অন্য একটি ভিডিওতে প্রথমে দুইজনকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে দেখা যায়, এরপর তারা কার্যালয়ে লাগানো এনসিপির ব্যানারটি ছিঁড়ে ফেলেন। তবে ভিডিওগুলো ঠিক কবে ধারণ করা হয়েছে, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। রাতে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের নিচে অবস্থান করা এনসিপির চট্টগ্রাম নগরের যুগ্ম সমন্বয়কারী আরিফ মঈনুদ্দীন জানান, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম যেহেতু নিষিদ্ধ, তাই প্রশাসনের নাকের ডগায় এই সংগঠনের কার্যালয়ে ব্যানার লাগানোর ঘটনাটি তাঁরা প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আফতাব উদ্দিন জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ পাঠানো হয়েছে, কিন্তু সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি। ব্যানারও ছিল না, এবং কক্ষগুলো তালাবদ্ধ ছিল।
এর আগে গত বছরের ২১ অক্টোবর এনসিপির এক নেতার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখার কার্যালয় দখলের অভিযোগ ওঠে। সেই সময় ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একদল তরুণ কার্যালয়ের সামনের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ভাঙচুর করছে। সেখানে আরিফ মঈনুদ্দীনসহ এনসিপি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের দেখা যায়। দোস্ত বিল্ডিংয়ে আওয়ামী লীগ ছাড়াও বিএনপি, বাসদ, গণসংহতি আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের কার্যালয় রয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এই কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয় এবং এরপর থেকে এটি তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল।।
কাপ্তাইয়ের জেলেদের জন্য সুখবর, কৃষি কার্ডে সহায়তা পাবেন প্রায় ২৭ হাজার পরিবার