Published : 01 Feb 2026, 11:04 PM
আজকাল চ্যাটজিপিটির মতো অত্যাধুনিক প্রোগ্রামিং টুল হাতের নাগালে, কিন্তু আমার বিশ্বাস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সক্ষমতা এখনো শৈশব পেরিয়ে যৌবনে পা বাড়ায়নি। জটিল ধাঁধার সমাধানে এআই হয়তো সাহায্য করতে পারে, কিন্তু মানুষের সূক্ষ্ম বিচারবুদ্ধির বিকল্প নেই। উদাহরণস্বরূপ, এআই হয়তো আপনার ঋণের কিস্তি হিসাব করে দিতে পারবে, তবে কারা ঋণ পাওয়ার যোগ্য, তা নির্ধারণের জন্য মানুষের প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতাই জরুরি। একটি অ্যাপ তৈরির ক্ষেত্রেও এআই ছোট ছোট অংশ তৈরি করে দিতে পারে, কিন্তু সম্পূর্ণ সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে হলে মানুষের বুদ্ধিমত্তার প্রয়োজন। স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে এমনটাই প্রস্তুতি নিচ্ছে।
আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় সাইবার নিরাপত্তা, ডেটা প্রকৌশল, রোবোটিক্স, মাইক্রোকন্ট্রোলার এবং ইন্টারনেট অফ থিংসের মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার বিজ্ঞান শিক্ষার ভিত্তি হলো গণিত ও পরিসংখ্যান। তাই এই দুটি বিষয়ে দুর্বলতা থাকলে ভবিষ্যৎ কঠিন হয়ে যেতে পারে। মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক স্তরেই প্রোগ্রামিংয়ের প্রাথমিক ধারণা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে তারা উচ্চতর স্তরের কাজে মনোযোগ দিতে পারবে।
ভবিষ্যতে তারা মেশিন লার্নিং প্রকৌশলী, ডেটা বিশ্লেষক বা ডেটা প্রকৌশলী হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। প্রযুক্তির উন্নতির সাথে তাল মিলিয়ে আমরা শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করছি, যাতে তারা ভবিষ্যৎ পৃথিবীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারে।।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর পদে ইস্তফা দিলেন সাইফুদ্দীন আহমদ