Published : 09 Jul 2026, 03:50 AM
ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ের খেলা চলাকালীন ইরানের ফুটবলাররা যখন গোল উদযাপন করে উচ্ছ্বাসে ভাসছিলেন, তখন হঠাৎ করেই তা থমকে যায়। গোলদাতা খলিলজাদেহ জার্সি ছিঁড়ে ফেলেন। এই গোলটি নিশ্চিত করত মিশরকে ২-১ গোলে এগিয়ে নিয়ে যেত এবং তাদের পরবর্তী পর্বে যাওয়ার পথ সুগম করত। ইরান তখন নকআউটের স্বপ্ন দেখছিল। কিন্তু এই আনন্দের মুহূর্তের ঠিক পরেই রেফারি এবং ভিডিও রেফারির (ভিএআর) হস্তক্ষেপ আসে। গোলটি অফসাইড হওয়ার কারণে বাতিল ঘোষণা করা হয়।
ধারাভাষ্যকাররাও সন্দেহ প্রকাশ করেন, সম্ভবত কোনো হ্যান্ডবল হয়েছে কিনা। তবে আইএফএবির নিয়ম অনুযায়ী, গোলটি বাতিল হয় অফসাইড আইনের কারণে। নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ফুটবলারের মাথা বা শরীর অন্তত দুজন প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের সামনে থাকলে তাকে অফসাইড বলে গণ্য করা হয়। গোলরক্ষকের ক্ষেত্রে এই নিয়ম কিছুটা ভিন্ন, যেখানে গোলরক্ষকের অবস্থান নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক ফুটবলের আইন ও তদারককারী সংস্থার নিয়ম মেনে ঘটেছে। ঘটনার সময়, গোল করার পেছনে ছিল মিসরের হামজা আবদেলকরিম।
সাধারণত, একজন ডিফেন্ডারের পেছনে অন্য খেলোয়াড় থাকলে গোল বাতিল হয় না। কিন্তু এই ক্ষেত্রে, গোলরক্ষকের অবস্থান এবং অন্যান্য খেলোয়াড়ের অবস্থানের কারণে এই বিতর্ক সৃষ্টি হয়। গোলটি বাতিল হওয়ায় ইরানের জন্য নকআউটের পথ অনিশ্চিত হয়ে গেল। গোলটি বহাল থাকলে ইরান বেলজিয়ামের পর গ্রুপে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে সরাসরি শেষ ৩২-এ প্রবেশ করত। এখন তাদের ভাগ্য নির্ভর করছে পরবর্তী ম্যাচগুলোর ফলাফলের ওপর।।
লাল কার্ডের রহস্যে কি ট্রাম্পের দ্বারস্থ হবেন কেইন? ফুটবল বিতর্কে নতুন মাত্রা