Published : 27 Apr 2026, 03:04 AM
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রায় প্রতি বছরই শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য। শুক্রবার ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র অগ্রগতি নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন। সাংবাদিকরা জানতে চান, সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসনের লক্ষ্য অনুযায়ী ‘যুদ্ধ মন্ত্রণালয়’কে ‘শান্তি মন্ত্রণালয়’তে রূপান্তর করা হবে কিনা। জবাবে হেগসেথ ‘শক্তির মাধ্যমে শান্তি’র ধারণাকে মার্কিন সামরিক নীতির ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “আমরা শুধু নিজেদের দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করি না, বরং বিশ্বজুড়ে বহু মানুষের সুরক্ষায় কাজ করি।” হেগসেথ আরও বলেন, “আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য এটাই।
আমরা প্রতিরক্ষা থেকে যুদ্ধের দিকে অগ্রসর হই, কারণ আমরা আগে থেকেই শক্তি ব্যবহার করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আমি জেনারেলদের কাছে ‘যুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের’ মূলনীতি নিয়ে আলোচনা করেছি এবং চাই এই ধারণা যেন মন্ত্রণালয়ের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে পড়ে।” মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মনে করেন, “এর একটি গভীর তাৎপর্য রয়েছে। এটা শুধু কথার কথা নয়। সঠিকভাবে যুদ্ধ পরিচালনা করলে তার ফলস্বরূপ শান্তি আসবে। আমরা সেটাই দেখতে চাই।
” অন্যদিকে, যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আবারও পাকিস্তানে গেছেন। এটিকে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য আলোচনায় একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাকিস্তানের কর্মকর্তারা বলছেন, আরাগচির ইসলামাবাদে দ্বিতীয়বার আসা এটাই প্রমাণ করে যে আলোচনার চেষ্টা থেমে যায়নি, বরং এটি একটি ধারাবাহিক কূটনৈতিক প্রক্রিয়া।।
বন্ধুত্বের বাঁধনে তৈরি ‘ম্যাজিক্যাল মুহূর্ত’ ভাগ করে নিলেন বিজয়ীরা, পেলেন পুরস্কার