Published : 28 Mar 2026, 11:06 PM
শরীয়তপুরে julho স্মৃতিস্তম্ভের একটি অংশে ইচ্ছাকৃতভাবে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় পালং মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে এই মামলাটি করেন থানার উপপরিদর্শক সাইদুল ইসলাম। মামলায় জেলা ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত আহ্বায়ক মহসিন মাদবরসহ সংগঠনটির ২৩ জন নেতা-কর্মীকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ এই মামলার প্রধান আসামি রিয়াজুল ইসলামকে (২১) গ্রেপ্তার করেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মী শরীয়তপুর জেলা শহরের julho শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আগুন ধরিয়ে দেয়। শরীয়তপুর জেলা ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত আহ্বায়ক মহসিন মাতবর শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এই ঘটনার একটি ভিডিও পোস্ট করেন। যেখানে দেখা যায়, কয়েকজন কর্মী স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দিচ্ছে।
এরপর স্থানীয় প্রশাসন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং এনসিপির জাতীয় যুবশক্তির নেতারা বিষয়টি নজরে আনেন। পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ আলম জানান, ‘স্মৃতিস্তম্ভের आसपासের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে আমরা জানতে পেরেছি, কারা এই অগ্নিসংযোগের সাথে জড়িত ছিল। তাদের শনাক্ত করা হয়েছে। এই ঘটনার মূল হোতা জেলা ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত নেতা মহসিন মাতবর। তাকেসহ ২৩ জন সহযোগীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত রিয়াজুল ইসলামকে সন্ধ্যায় আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলছে।
’ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় যুবশক্তির নেতারা জানান, স্থানীয় প্রশাসন শরীয়তপুর জেলা শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাশে julho শহীদ স্মৃতিস্তম্ভটি নির্মাণ করে। রাতের অন্ধকারে দুর্বৃত্তরা সেখানে আগুন ধরিয়ে দেয়, যার ফলে স্মৃতিস্তম্ভের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফেসবুকে প্রকাশিত ১৭ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে দেখা যায়, কয়েকজন লোক julho স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দিচ্ছে এবং আগুনের লেলিহান শিখা দাউ দাউ করে জ্বলছে। ছাত্রলীগের জেলা কমিটির বহিষ্কৃত আহ্বায়ক মহসীন মাতবর ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন যে, ছাত্রলীগের কর্মীরাই এই আগুন ধরিয়েছে। বর্তমানে বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতা মহসিন মাতবর আত্মগোপনে রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।।
ইয়াবা সেবনের অভিযোগে এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার, দল থেকে বহিষ্কার