Published : 10 Dec 2025, 02:05 AM
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোকে ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়া এক অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তাঁর মতে, এই দেশগুলোর নেতৃত্ব দুর্বল হাতে, যা মহাদেশটিকে আরও নাজুক করে তুলেছে। এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, ইউরোপের সরকারগুলো অভিবাসন সমস্যা সমাধানে সম্পূর্ণ ব্যর্থ এবং ইউক্রেন সংঘাত নিরসনে তাদের ভূমিকা খুবই সীমিত। পলিটিকোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “পশ্চিম ইউরোপের রাজনৈতিক নেতৃত্ব এখন কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলেছে।” ইউরোপের নেতাদের প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, “আমার মনে হয় তারা যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। ইউরোপ বুঝতে পারছে না, তাদের এখন কী করা উচিত।” ইউক্রেন শান্তি আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, সেখানকার নেতারা শুধু কথাতেই বড়, কাজে নয়।
তিনি আরও বলেন, যদি তারা এখনো মনে করে কিয়েভ জয়ী হতে পারবে, তাহলে তারা নিজেদের ইচ্ছামতো সহায়তা চালিয়ে যেতে পারে। ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, ইউরোপে তার কোনো শত্রু নেই, বরং অধিকাংশ ইউরোপীয় নেতার সাথেই তার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। তিনি যোগ করেন, তিনি জানেন কোন নেতা ‘যোগ্য’, আর কোন নেতা ‘অযোগ্য’, কারা ‘বুদ্ধিমান’ আর কারা ‘বোকা’। তাঁর মতে, কিছু নেতা সত্যিই ‘অদূরদর্শী’। ট্রাম্পের দাবি, ইউরোপের অভিবাসন নীতি কয়েকটি দেশকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তিনি বলেন, “এই ধারা অব্যাহত থাকলে ইউরোপের অনেক দেশ হয়তো আর টিকে থাকতে পারবে না। তাদের অভিবাসন নীতি সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত।
তারা যা করছে, তা এক চরম বিপর্যয় ডেকে আনবে।” তিনি অভিযোগ করেন, অনেক ইউরোপীয় সরকার কোনো রকম যাচাই-বাছাই ছাড়াই মানুষকে দেশে ঢুকতে দিচ্ছে এবং অবৈধভাবে আসা মানুষদের ফেরত পাঠাতে নারাজ। “তারা রাজনৈতিকভাবে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে চায়… এবং যারা যেখান থেকে এসেছে, তাদের ফেরত পাঠাতে দ্বিধা বোধ করে”, বলেন ট্রাম্প। সীমান্ত ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ট্রাম্প হাঙ্গেরি ও পোল্যান্ডের প্রশংসা করেন, একইসাথে জার্মানি ও সুইডেনের মতো দেশগুলোর সমালোচনা করেন। তাঁর মতে, এই দেশগুলো অভিবাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে।।
খেলা দেখার স্বপ্নভঙ্গ: ধারদেনা করে টিভি কিনলেও বিদ্যুৎহীন জীবন