Published : 20 Jul 2026, 03:14 PM
করোনা মহামারির সময় ভুয়া পরীক্ষার সনদ জালিয়াতির অভিযোগে অভিযুক্ত রিজেন্ট হাসপাতালের মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে আবারও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে রাজধানীর ইসিবি চত্বর থেকে তাঁকে আটক করা হয়। ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসান জানিয়েছেন, সাহেদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করা হয়েছে। প্রতারণা, অবৈধ সম্পদ অর্জনসহ সাহেদের বিরুদ্ধে মোট ৩৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যেখানে তিনি পর্যায়ক্রমে জামিন পেয়েছেন। জামিনের প্রায় চার বছর অতিবাহিত হওয়ার পর, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের এক মাসের মধ্যেই তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান। এই ব্যক্তির নাম আসে করোনা সংকটের সময়।
২০২০ সালের জুলাই মাসে উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে র্যাব এই হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদকে জড়িত থাকার অভিযোগে করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট জব্দ করে। এই ঘটনায় র্যাব সাহেদসহ আরও ১৭ জনকে করোনার সনদ জালিয়াতির অভিযোগে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করে। সনদ জালিয়াতির মামলা ছাড়াও সাহেদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রতারণার অভিযোগ ছিল। ২০২০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর অস্ত্র আইনের একটি মামলায় তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, যার বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টে আপিল করেন এবং পরবর্তীতে খালাস পান। তবে হাইকোর্টের এই রায় স্থগিত থাকার কারণে এই মামলায় জটিলতা রয়েছে। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের এক মামলায় ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট আদালত তাঁকে তিন বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছিল।
এছাড়াও, ২০১০ সালের চেক জালিয়াতির একটি মামলায় তাঁর ছয় মাসের সাজা ছিল। সিআইডি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাহেদ মানুষ ঠকিয়ে ১১ কোটি টাকার বেশি আত্মসাৎ করেছিলেন এবং রিজেন্ট হাসপাতালে পরীক্ষা না করেই ভুয়া সনদ দিয়ে তিনি ৩ কোটি ১১ লক্ষ ৯০ হাজার ২২৭ টাকা হাতিয়ে নেন। সাহেদের বিরুদ্ধে আরও বিভিন্ন প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে, যার মধ্যে থানা মামলা না থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন সময়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।।
পুলিশের স্বপ্ন: ক্রীড়াক্ষেত্রে সাফল্যের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে চায় পুলিশ