Published : 12 May 2026, 09:06 AM
আসছে ঈদ-উল-আজহা, আর কেনাকাটার প্রস্তুতি তো শুরু হয়েই গেছে! ঈদ মানেই আনন্দ, আর সেই আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দিতে চান সবাই। তবে পরিকল্পনা ছাড়া বাজারে ছুটলে পকেট খালি হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। কোরবানির পশু কেনার পাশাপাশি পোশাক, খাবার ও উপহারের কেনাকাটাও তো রয়েছে। এই সময়ে চাকরিজীবীদের বোনাস পাওয়া যায়, কিন্তু ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির বাজারে সেই বোনাসও বুঝে খরচ করা উচিত। একটু বুদ্ধি খাটালে কেনাকাটার আনন্দ বজায় থাকবে, আবার সাশ্রয়ও হবে। তাহলে জেনে নেওয়া যাক কিছু কৌশল— ১. কেনাকাটার তালিকা তৈরি করুন: কী কিনবেন, কার জন্য কিনবেন, আর কোনটির দাম কেমন—সবকিছু আগে থেকেই লিখে ফেলুন। তালিকা থাকলে অপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনার প্রবণতা কমবে। ২. বাজেট নির্ধারণ করুন: পোশাক, জুতা, প্রসাধনী, উপহার—প্রতিটি খাতের জন্য আলাদা বাজেট তৈরি করুন। বাজেট ছাড়িয়ে গেলে অন্য খাতে সমস্যা হতে পারে।
৩. একসাথে সব কিনবেন না: একবারে সব কেনাকাটা করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। ধীরে ধীরে, সময় নিয়ে কিনলে দাম যাচাই করার সুযোগ পাওয়া যায়। ৪. অনলাইন মার্কেটপ্লেসে দাম তুলনা করুন: একই পণ্যের দাম বিভিন্ন দোকান ও ওয়েবসাইটে ভিন্ন হতে পারে। কেনার আগে দু-তিনটি জায়গায় দাম দেখে নিন। ৫. অফার যাচাই করুন: ‘বাই ওয়ান গেট ওয়ান’ বা ডিসকাউন্ট দেখে তাড়াহুড়ো করবেন না। প্রথমে ভাবুন, জিনিসটি আপনার আসলেই দরকারি কিনা। ৬. ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে সাবধান: ক্রেডিট কার্ডে বেশি খরচ করার প্রবণতা থাকে। তাই আগে থেকে একটা নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করুন। নগদ বা ডেবিট কার্ড ব্যবহার করা ভালো।
৭. শিশুদের কেনাকাটায় লাগাম দিন: শিশুদের আবদার মেটাতে গিয়ে অনেক সময় বাজেট ভেঙে যায়। আগে থেকেই ঠিক করে রাখুন, কতগুলো পোশাক বা খেলনা কেনা হবে। ৮. শেষ মুহূর্তের ভিড় এড়িয়ে চলুন: ঈদের আগে বাজারে প্রচুর ভিড় হয়, ফলে দরদাম করার সুযোগ কমে যায়। অনেক দোকানে দামও বেড়ে যায়। ৯. ফ্যাশন নয়, ব্যবহারিকতা দেখুন: শুধু ফ্যাশনের জন্য দামি পোশাক কিনলে সেটি হয়তো খুব কমই পরা হবে। টেকসই ও বারবার ব্যবহার করা যায়—এমন পোশাক বেছে নিন। ১০. ঈদের পরের খরচও মনে রাখুন: ঈদের পর স্কুলের বেতন, বাড়িভাড়া এবং অন্যান্য মাসিক খরচ তো রয়েছেই। তাই পুরো টাকা ঈদের কেনাকাটায় খরচ না করাই বুদ্ধিমানের কাজ।।