Published : 11 Aug 2026, 05:16 AM
কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে ৭.৪ মাত্রার এক ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ ወደ ১১১ জনে। ধসে পড়া ভবনগুলোর নিচে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার করতে কর্মীরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই বিপর্যয়ের কেন্দ্রস্থল ছিল চোকো প্রদেশের সান জোসে দেল পালমার কাছাকাছি এলাকা। যদিও ওই অঞ্চলে মানুষের বসবাস তুলনামূলকভাবে কম, তবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কফি চাষের জন্য পরিচিত রিসারালদা প্রদেশের দোসকেব্রাদাস এলাকায়। বড় শহর ক্যালিতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তবে সেখানকার প্রশাসন এখনও পর্যন্ত কোনো নিশ্চিত মৃত্যুর খবর প্রকাশ করেনি।
ভূমিকম্পের ঠিক কয়েক দিন পরেই দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট আবেলিয়ার্ডো দে লা এসপ্রিয়েলা শপথ নিচ্ছিলেন। সোমবার রাতে আরও একুশটি 'আফটারশক' অনুভূত হয় এবং বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে ভবিষ্যতে আরও কম্পন হতে পারে। ক্যালি শহরের এক নারী প্রাণে বেঁচে ফিরেছেন। তিনি জানান, ফোনে গুগলের একটি সতর্কতা পেয়েই তারা দ্রুত ভবন থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। তিনি সমাজের সকল মানুষকে যেকোনো বিপদ মোকাবিলার জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
কলম্বিয়ায় নিয়মিত ছোটখাটো ভূমিকম্প হলেও যুক্তরাষ্ট্রের নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বিশেষজ্ঞ সুজান ভ্যান ডার লি ব্যাখ্যা করেছেন যে এই কম্পনের উৎস পৃথিবীর ভূত্বকের গভীরে ছিল। সাধারণত এত গভীরতার ভূমিকম্পে ওপরের দিকে কম কাঁপুনি অনুভূত হয়। কিন্তু এর তীব্রতা অনেক বেশি হওয়ায় নদীর তীরবর্তী নরম মাটি এবং মাটির নিচের প্লেটের নড়াচড়ার কারণে এত বড় ক্ষতি হয়েছে। এর আগে ১৯৯৯ সালে কলম্বিয়ার কফি অঞ্চল বলে পরিচিত আরমেনিয়া ও পেরেইরাতে ৬.২ মাত্রার এক বিধ্বংসী ভূমিকম্প ঘটেছিল, যেখানে এক হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারান।।
উত্তরায় ফিলিং স্টেশনে কোটি টাকা লুটের ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল বাজেয়াপ্ত