Published : 27 Jul 2026, 03:28 AM
সাভারের এক চলন্ত বাসে এক নারীকে ধর্ষণের চেষ্টার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই খবর পাওয়ার পরই পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নেয় এবং রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে বাসটিকে থামিয়ে দেয়। পুলিশের দাবি, এই ঘটনায় জড়িত বাসচালকসহ আরও কয়েকজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ওই নারীকে নিরাপদ স্থানে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে শনিবার দিবাগত রাতে সাভার উপজেলার আশুলিয়ার বাড়ইপাড়া এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই নারী ঢাকার গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে সাভারের নবীনগর যাওয়ার উদ্দেশ্যে একটি বাসে ওঠেন। নবীনগর বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছানোর আগেই বাসের চালক মো. ইমরান তাঁর সহকারী মো. মুসফেকুর রহমানের সঙ্গে বাস চালানোর দায়িত্ব দেন।
পরবর্তীতে ইমরান ওই নারীর সঙ্গে থাকা এক ব্যক্তিকে মারধর করে এবং হত্যার হুমকি দিয়ে তাকে বাস থেকে নামিয়ে দেন। এই সময় মুসফেকুর ও সুমন প্রামানিক নামে অন্য এক ব্যক্তিও বাসে উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ আরও জানায়, পরবর্তী সময়ে সুমনের সহায়তায় মুসফেকুর চলন্ত বাসে ওই নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পরিস্থিতি গুরুতর হওয়ায় ওই নারীর পরিচিত ব্যক্তি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ দ্রুত আশুলিয়ার রাড়ইপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকার রাস্তায় একটি বাস দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে তা থামায়। এই পদক্ষেপের ফলে বাসটি থামানো সম্ভব হয় এবং ওই নারীকে উদ্ধার করা হয়।
এই সময় মুসফেকুর ও সুমন প্রামানিককে আটক করা হয়। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ওই নারী শনিবার রাতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। এরপর রোববার বিকেলে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে বাসচালক ইমরানকে গ্রেপ্তার করে। আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম এই মামলার বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন যে, মুসফেকুর ও সুমন ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে ইমরানকেও ধরা হয়েছে।।