Published : 09 Jul 2026, 06:43 AM
শরীয়তপুরের এক জনপদে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ তাদের প্রতিবাদ জানাতে একটি সড়ক প্রদক্ষিণ করে। আজ শুক্রবার বিকেলে সদর উপজেলার এক গ্রামের পাকা রাস্তায় প্রায় পঁচিশ থেকে ত্রিশ জন কর্মী ব্যানার হাতে নিয়ে এই মিছিলটি বের করেন। প্রতিবাদকারীরা মাস্ক ও হেলমেট পরিহিত ছিলেন। মিছিলের ব্যানারে লেখা ছিল—অবৈধ আইসিটি ট্রাইবুনালের অন্যায়ের রায় প্রত্যাখ্যান ও গণবিক্ষোভ; আয়োজক—শরীয়তপুর জেলা ছাত্রলীগ। এই মিছিলের দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের কিছু নেতা আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় এই ভিডিও পোস্ট করেছেন।
এই প্রতিবাদ কর্মসূচির মাধ্যমে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতারা শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার এবং দলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার অবসান ঘটানোর দাবি জানান। প্রতিবাদকারীরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনা এবং শরীয়তপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেনের নামে বিভিন্ন স্লোগান দেন। কিছুদিন ধরে শরীয়তপুরের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ এবং তার সহযোগী সংগঠনের কর্মীরা মিছিলを行ছেন। গত এক মাসে এই জেলায় অন্তত বারোটি স্থানে তারা এই ধরনের মিছিল করেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আত্মগোপনে থাকা এক ছাত্রলীগ নেতা প্রথম আলোকে জানান, পুলিশ ও বিএনপি-জামায়াতের কর্মীরা তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করছে। এই অবিচারের প্রতিবাদে তারা বিভিন্ন স্থানে মিছিল করেছেন।
তারা বলেন, প্রহসনের বিচার করার জন্য অবৈধ আইসিটি ট্রাইবুনালের রায়ের বিরুদ্ধে তারা গণবিক্ষোভ করেছেন। গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে থেকে তারা এই ঝটিকা মিছিলের ব্যবস্থা করেন। শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ আলম প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন যে, রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আজ মিছিল করেছে, সেই তথ্য তাদের কাছে নেই এবং খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আইন অমান্য করে যদি কেউ মিছিল করে থাকেন এবং তার প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যারা পূর্বে মিছিল করেছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাও হয়েছে এবং কিছু ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।।
বিতর্কের মুখে ভারতী সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষের 'রিপাবলিক বাংলা' থেকে বিদায়