Published : 13 Jun 2026, 07:53 PM
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশুকে নৃশংসভাবে হত্যা ও ধর্ষণের মতো গুরুতর মামলার পরিপ্রেক্ষিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংক্রান্ত বিষয়গুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টে একটি বিশেষ বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। এই মামলার ডেথ রেফারেন্স, আপিল এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়াদি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনতে এই বেঞ্চকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী আজ বুধবার এই দ্বৈত বেঞ্চ গঠন করার নির্দেশ দেন। এই সিদ্ধান্তটি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে।
বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত এই বিশেষ বেঞ্চটি আগামী ১৪ জুন (রোববার) থেকে কাজ শুরু করবে। এই বেঞ্চের প্রধান কাজ হবে শুধুমাত্র নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অধীনে মৃত্যুদণ্ডাদেশের অনুমোদন, সংশ্লিষ্ট সকল ফৌজদারি আপিল ও জেল আপিলের আবেদনপত্র, এবং এই রায় থেকে উদ্ভূত অন্যান্য ফৌজদারি আপিল ও জেল আপিল মঞ্জুরির আবেদনপত্র পর্যালোচনা করা। এছাড়াও, সংশ্লিষ্ট ফৌজদারি বিবিধ ও ফৌজদারি রিভিশন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক রুল ও আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানির দায়িত্ব এই বেঞ্চের উপর অর্পণ করা হয়েছে। এর আগে, রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল ৭ জুনে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।
নিম্ন আদালতের রায় কার্যকর হতে বিলম্ব হওয়ায় এই বিষয়টি নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এরপর ৭ জুনে অ্যাটর্নি জেনারেল এক সংবাদ সম্মেলনে জানান যে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অধীনে এই ধরনের মামলাগুলোর দ্রুত বিচারের জন্য হাইকোর্টে একটি নির্দিষ্ট বেঞ্চ গঠন করা হবে, যা আগামী রোববার থেকে কার্যকর হবে। আজ এই বেঞ্চ গঠন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়।।