Published : 08 Jun 2026, 05:01 PM
দেশের খুচরা ব্যবসায়ীরা তাদের দাবি প্রতিষ্ঠা করতে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি নেতারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি জরুরি আবেদন জানিয়েছেন। এই আবেদনটি কেন্দ্র করে জানানো হয়েছে যে, সন্ধ্যার পর দোকানপাট বন্ধ রাখার বর্তমান নীতি দেশের ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, দোকান বন্ধ রাখার কারণে তাদের পরিচালন ব্যয়, দোকান ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, ঋণের কিস্তি, কর্মীদের বেতন এবং অন্যান্য খরচ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা তাদের চরম সংকটের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। নেতারা আরও জোর দিয়ে বলেন, কর্মব্যস্ততার কারণে অনেক ক্রেতা দিনের বেলায় কেনাকাটা করতে পারছেন না এবং তারা বিকেল বা সন্ধ্যার পর বাজারে আসেন।
যদি দোকানপাট, বিপণিবিতান ও শপিং মল রাত দশটা পর্যন্ত খোলা রাখা হয়, তবে ব্যবসায়ীরা তাদের প্রত্যাশিত বিক্রি নিশ্চিত করতে পারবেন। এর ফলে ব্যবসা সম্প্রসারিত হবে, সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল হবে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক জ্বালানিসংকটের প্রেক্ষাপটে, গত ২ এপ্রিল রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে দোকানপাট সন্ধ্যা ৬টায় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন। পরবর্তীতে ব্যবসায়ীদের অনুরোধে এই সময়সীমা এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়।
এরপর পবিত্র ঈদুল আজহার আগপর্যন্ত দোকানপাট সন্ধ্যা ৭টার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা ১২ মে থেকে কার্যকর হয়। যদিও ঈদের পর সরকার আবারও সন্ধ্যা ৭টায় বন্ধের নির্দেশ দেয়। এই পরিস্থিতিতে, ৭০ লক্ষ দোকান ব্যবসায়ী ও কর্মচারীর জীবিকা সুরক্ষিত করতে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যকে প্রসারিত করতে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার দাবি জানিয়েছেন সমিতির সভাপতি নাজমুল হাসান ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান।।
ইসরায়েলি আক্রমণের বিরতি দিল ইরান, কিন্তু লেবাননে আগ্রাসন চললে তীব্র প্রতিশোধ