Published : 07 Jun 2026, 07:09 PM
যুক্তরাষ্ট্রের দ্য মার্স সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ ‘ইউনিভার্সিটি রোভার চ্যালেঞ্জ (ইউআরসি) ২০২৬’-এ তৃতীয় স্থান অধিকার করায় ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ) তাদের মার্স রোভার দলকে সশ্রদ্ধ অভিনন্দন ও সংবর্ধনা প্রদান করেছে। এই উপলক্ষে রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউআইইউ মার্স রোভার দলের সদস্যদের লালগালিচার মাধ্যমে বরণ করা হয়। এই সাফল্যের বিস্তারিত তথ্য এবং প্রতিযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ সম্মেলনে আলোকপাত করে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এই অর্জন কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়। বহু বছর ধরে দলটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রেখেছে। ২০২৫ সালে তাদের তৈরি রোভার ‘অ্যাক্সিওস’ বিশ্বে ষষ্ঠ স্থান অর্জন করেছিল এবং টানা চার বছর এশিয়ার সেরা দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছিল।
একই বছর বিজ্ঞানভিত্তিক মিশনে শতভাগ নম্বর পাওয়ায় তারা ইউনিভার্সিটি রোভার চ্যালেঞ্জের ইতিহাসে প্রথম এশীয় দল হিসেবে ‘সেরা বিজ্ঞানী দল’ পুরস্কারও লাভ করে। এই আলোচনায় ইউআইইউর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ও ট্রেজারার প্রকৌশলী মো. আব্দুল মোকাদ্দেম বলেন, ‘আমরা এবার তৃতীয় স্থানে থাকলেও এটিই শেষ নয়। আমাদের লক্ষ্য প্রথম হওয়া এবং এই জ্ঞান ও দক্ষতা দেশের মানুষের কল্যাণে কীভাবে ব্যবহার করা যায়, সেই দিকে আমাদের কাজ করতে হবে।’ ইউনিভার্সিটি ফর অ্যাডভান্সড রিসার্চের (আইইএআর) নির্বাহী পরিচালক ও ইমেরিটাস অধ্যাপক এম রিজওয়ান খান মন্তব্য করেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মূলমন্ত্র হলো “শ্রেষ্ঠত্বের অনুসন্ধান”। এই শ্রেষ্ঠত্ব কেবল একটি নাম নয়, এটি বাস্তব উদাহরণ। ২০২৫ সালে “ইউআইইউ মেরিনার” প্রথমবার কোনো প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে বিশ্বে পঞ্চম স্থান অর্জন করে এবং ইউআইইউ ক্যানস্যাট একাদশতম স্থানে ছিল।
’ প্রতিযোগিতায় ইউআইইউ দল মোট ৪০০.৪৪ পয়েন্ট সংগ্রহ করে। এছাড়াও, স্বয়ংক্রিয় নেভিগেশন, পরিবেশ বিশ্লেষণ এবং স্বতন্ত্র সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে অসাধারণ দক্ষতা প্রদর্শন করে দলটি ‘সেরা স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা স্বীকৃতি’ বা ‘বেস্ট অটোনোমাস সিস্টেম রিকগনিশন’ অর্জন করে। এই সম্মাননাটি আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতার এক উজ্জ্বল প্রতিফলন। শুধু ইউআইইউ নয়, এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের একাধিক প্রতিষ্ঠান নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে। যেমন, বাংলাদেশের ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ব্র্যাকু মঙ্গোল–তোরি’ দল সপ্তম স্থান এবং মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ‘মিস্ট মঙ্গোল বারোতা’ দল একাদশ স্থান অর্জন করেছে, যা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শক্তিশালী অবস্থান তুলে ধরে।।
বিশ্বকাপের পথে আইমান হুসেইনের পথে সাত ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদ: বিমানবন্দরে উত্তেজনার চিত্র