Published : 18 Aug 2026, 02:16 PM
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) অধীনে থাকা শিক্ষক ও কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ওপর নজরদারি নিশ্চিত করতে সরকার একটি বিশেষ 'সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মনিটরিং কমিটি' গঠন করেছে। এই কমিটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইংয়ের পরিচালক অধ্যাপক টিপু সুলতান। সোমবার (১৭ আগস্ট), মাউশি এক চিঠির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করে এবং নির্দেশ দেয় যে, যদি কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী কর্তৃক প্রকাশিত কনটেন্ট নির্দেশিকা পরিপন্থী, আপত্তিকর, বিভ্রান্তিকর বা অসত্য হয়, তবে তা স্ক্রিনশটসহ কমিটির আহ্বায়কের কাছে জমা দিতে হবে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের 'সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারসংক্রান্ত নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)' এবং সরকারি আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলা বাধ্যতামূলক। এই নির্দেশিকাগুলো সঠিকভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কিনা, তা যাচাই করার জন্যই এই কমিটি তৈরি করা হয়েছে। আরও জানানো হয়েছে যে, মাউশির আওতাধীন কোনো সদস্য যদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন কোনো স্ট্যাটাস, মন্তব্য, ছবি, ভিডিও বা অন্য কোনো কনটেন্ট প্রকাশ বা প্রচার করেন যা নির্দেশিকার পরিপন্থী, তবে তা নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কমিটির আহ্বায়কের কাছে জানাতে হবে।
এই ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নাম, পদবি ও কর্মস্থল, ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নাম, অ্যাকাউন্ট বা প্রোফাইলের লিংক, পোস্টের তারিখ ও সময় এবং পোস্টের স্ক্রিনশটসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি ই-মেইলের মাধ্যমে জমা দিতে হবে। মাউশির সকল পরিচালক, আঞ্চলিক পরিচালক, অধ্যক্ষ, সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট এবং মহাপরিচালকের কাছে এই চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ ও নির্বাচন তফসিল সংক্রান্ত রিট খারিজ: হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায়