Published : 09 Jul 2026, 08:36 AM
চিকিৎসকদের দাবি, স্বাস্থ্য ক্যাডারে প্রবেশে বয়সসীমা ৩৪ বছর করা হোক—এই দাবিতে তাঁরা জোর কণ্ঠস্বর তুলেছেন। এই দাবি না মানা হলে চিকিৎসক সমাজ দেশজুড়ে বড় ধরনের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় গত মঙ্গলবার রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধন চলাকালীন। আন্দোলনকারীরা মনে করছেন, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়লেও স্বাস্থ্য ক্যাডারের ক্ষেত্রে তা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। সাধারণ ক্যাডারের বয়সসীমা ৩০ থেকে ৩২ বছরে উন্নীত হলেও চিকিৎসকদের জন্য তা আগের মতোই ৩২ বছর বহাল রয়েছে। মানববন্ধনে আদ-দ্বীন হাসপাতালের চিকিৎসক ফাতেমা জান্নাত বলেন, ‘অদৃশ্য কারণে ডাক্তারদের সঙ্গে বৈষম্য করা হয়েছে। আমরা দ্রুত এই বৈষম্যের অবসান চাই।
’ বারডেমের চিকিৎসক তোফায়েল আহমেদ দিহান জানান, বয়স বৃদ্ধি করা আমাদের একটি ন্যায্য দাবি। তিনি বলেন, ‘চব্বিশ-পরবর্তী এই দেশে, তারেক রহমানের এই বাংলাদেশে কোনো বৈষম্য থাকা উচিত নয়।’ বক্তারা আরও উল্লেখ করেন যে, গত জুন মাসে ইন্টার্ন ও ট্রেইনি চিকিৎসকদের আন্দোলনের পর স্বাস্থ্যসচিব ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সঙ্গে বৈঠকে তাঁদের ছয় দফা দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। এছাড়াও ৯ জুন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠিও পাঠানো হয়, কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হয়েও কোনো অগ্রগতি হয়নি। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক চিকিৎসক মো. রোমান সরকার জানান, প্রায় এক মাস আগে স্বাস্থ্যসচিব চিকিৎসকদের বয়সসীমা বাড়ানোর সুপারিশ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন, কিন্তু এখনও কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, ‘জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আদৌ কোনো ব্যবস্থা নেবে কি না, তা আমাদের জানা নেই। আমাদের দাবি দ্রুত মেনে নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে।
আমরা জনপ্রশাসন সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোস্টগ্র্যাজুয়েট চিকিৎসক হাবিবুর রহমান জোর দিয়ে বলেন, ‘আমরা গণতান্ত্রিক উপায়ে অধিকার আদায় করতে চাই। কিন্তু দাবি মানা না হলে চিকিৎসক সমাজ জানে কীভাবে অধিকার আদায় করতে হয়। ২০২৩ সালেও আমরা শাহবাগে আন্দোলন করেছি, হামলার শিকার হয়েছি। এবারও প্রয়োজন হলে আরও বড় আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব।’।
অর্থ মন্ত্রকের নতুন নির্দেশ: সরকারি অর্থ ব্যয়ে গাড়ি কেনা ও বিদেশ সফর আপাতত স্থগিত