Published : 09 Jul 2026, 04:54 AM
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট অধিবেশনে শেখ পরিবারের নামে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নাম পরিবর্তন না হওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) পাঁচ সদস্য তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে সভা থেকে 'বর্জন' (ওয়াকআউট) করেন। সোমবার রাতে এই ঘটনাটি ঘটে। সিনেট সভার চেয়ারম্যান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এই পাঁচটি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের বিষয়ে সিনেট সদস্যদের মতামত জানতে চান। এই পাঁচটি স্থাপনা হলো: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, রাসেল টাওয়ার, বঙ্গবন্ধু টাওয়ার এবং সুলতানা কামাল হোস্টেল। সিনেট সদস্য অধ্যাপক লুৎফর রহমান জানতে চান যে এই সিদ্ধান্ত সিন্ডিকেট কর্তৃক গৃহীত হয়েছে কিনা। জবাবে সিনেট চেয়ারম্যান জানান যে তিনি এই বিষয়ে অবগত নন।
তিনি আরও বলেন, সিনেটের নিয়ম অনুযায়ী কোনো সিদ্ধান্ত সিনেটে আসার আগে সিন্ডিকেটের অনুমোদন প্রয়োজন। কিন্তু ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম এবং জিএস এস এম ফরহাদ দাবি করেন যে এই নিয়ম উপেক্ষা করে নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত এদিনেই নেওয়া যেতে পারে। এস এম ফরহাদ বলেন, এই ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের নামগুলো এখনো বিদ্যমান থাকায় তাদের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি এই বিষয়ে দ্রুত একটি সিদ্ধান্ত নিতে বলেন। ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম একটি মর্মস্পর্শী ঘটনার উল্লেখ করে বলেন, স্মৃতিসৌধে শেখ মুজিবুর রহমান হলের শিক্ষার্থীরা ফুল দিতে গেলে পুলিশের সদস্যরা শুধু নাম দেখে তাদের দৌড়ানি দেয়। এছাড়াও, এই নামগুলোর কারণে ডিবেট ক্লাবে পর্যাপ্ত তহবিল না পাওয়ায় কার্যক্রম চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
এর ফলে শিক্ষার্থীরা ভুক্তভোগী হচ্ছেন। উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বিষয়টি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নাম পরিবর্তনের কথা জানান। এর প্রতিক্রিয়ায় ডাকসু থেকে মনোনীত পাঁচ সদস্য—যাঁদের মধ্যে আছেন ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম, জিএস এস এম ফরহাদ, এজিএস মুহা. মহিউদ্দিন, পরিবহন সম্পাদক আসিফ আবদুল্লাহ এবং কার্যনির্বাহী সদস্য সাবিকুন্নাহার তামান্না—তারা প্রতিবাদ জানিয়ে সভা থেকে সরে দাঁড়ান।।
অর্থ মন্ত্রকের নতুন নির্দেশ: সরকারি অর্থ ব্যয়ে গাড়ি কেনা ও বিদেশ সফর আপাতত স্থগিত