Published : 03 Jun 2026, 09:13 AM
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত আলোচনা সম্পূর্ণভাবে স্থবির হয়ে পড়ার পর মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে 'আত্মরক্ষামূলক' আক্রমণ শুরু করে। একই সাথে তারা দাবি করেছে যে ইরান বিভিন্ন জাহাজ এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনগুলিকে ধ্বংস করেছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের আক্রমণের প্রচেষ্টার জবাবে হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপে (ইরানের বৃহত্তম দ্বীপ) হামলা চালানো হয়েছে। অন্যদিকে, ইরান দাবি করেছে যে তারা প্রতিশোধ হিসেবে একটি 'আঞ্চলিক দেশে' অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং হেলিকপ্টারে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। তবে সেন্টকমের দাবি, তেহরান কুয়েত এবং বাহরাইনের দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলির সবগুলিই মাঝপথে ধ্বংস হয়েছে অথবা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।
কয়েক মাস ধরে যুদ্ধ থামানোর লক্ষ্যে গত সপ্তাহান্তে অনুষ্ঠিত আলোচনা কোনো ফলদায়ক অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হয়। এই আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পরপরই নতুন করে এই আক্রমণগুলো সংঘটিত হয়। সেন্টকম আরও জানায়, কেশম দ্বীপে হামলার মাধ্যমে ইরানের একটি সামরিক স্থল নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। এছাড়াও, আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে বৈধভাবে চলাচলকারী বেসামরিক নাবিকদের লক্ষ্য করে ইরান তিনটি ড্রোন নিক্ষেপ করে, যা মার্কিন বাহিনী গুলি করে নামিয়ে আনে। আরও প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ইরানের এই হামলাগুলি ছিল অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ও ব্যাপক, যার ফলে ২০টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
২০২৬ সালের ২ জুন ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) সতর্ক করে জানায় যে, 'হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে আগ্রাসী মার্কিন বাহিনীকে চরম মূল্য দিতে হবে।' উল্লেখ্য, বাহরাইন ও কুয়েত-এ অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলির বিরুদ্ধে ইরান আগেও বারবার আক্রমণ চালিয়েছে। সাম্প্রতিকতম এই হামলার আগে সেন্টকম জানিয়েছিল, হরমুজ প্রণালিতে ওয়াশিংটনের নৌ অবরোধের অংশ হিসেবে তারা ইরানগামী একটি খালি তেলবাহী ট্যাংকারে আঘাত হেনে সেটি অকার্যকর করে দেয়। এই প্রেক্ষাপটে ইরানের প্রেসিডেন্ট এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ফোনালাপ হয়, যেখানে হরমুজ প্রণালী খোলার আহ্বান জানানো হয়।।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সীমান্তরক্ষীদের কাছ থেকে পণ্যবাহী গাড়ি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, সৃষ্টি হয় জনরোষ