Published : 27 Apr 2026, 01:08 AM
বলিউডের উদীয়মান অভিনেত্রী শানায়া কাপুর তাঁর প্রথম সিনেমা ‘আখোঁ কী গুস্তাগিয়া’ দিয়ে দারুণ সাড়া ফেলেছিলেন। সেই সাফল্যের রেশ ধরে, এবার ভিন্নধর্মী একটি চরিত্রে অভিনয় করে আবারও তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন। পরিচালক বিজয় নাম্বিয়ারের ‘তু ইয়া ম্যায়’ ছবিতে শানায়া অভিনয় করেছেন আদর্শ গৌরবের বিপরীতে। ছবিতে ‘ইনফ্লুয়েন্সার অবনী’ চরিত্রে তাঁর সাবলীল অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। বিশেষ করে, স্ক্রিনে তাঁর উপস্থিতি, অভিনয়ের ভিন্নতা এবং আদর্শ গৌরবের সঙ্গে তাঁর রসায়ন বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। মুক্তির পর থেকেই ছবিটি নেটফ্লিক্সের শীর্ষ দশে জায়গা করে নিয়েছে। শুধু তাই নয়, বিশ্বের প্রায় ১২টি দেশে এটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে, যা শানায়ার ক্যারিয়ারের জন্য একটি বড় অর্জন। ‘তু ইয়া ম্যায়’ ছবির গল্প একটি জটিল জুটির চারপাশে আবর্তিত হয়, যারা কঠিন পরিস্থিতিতে নিজেদের সম্পর্ক এবং জীবনের গভীরতা উপলব্ধি করে। পরিচালক বিজয় নাম্বিয়ার এর আগে ‘শায়তান’, ‘ডেভিড’ ও ‘কারওয়া’র মতো ব্যতিক্রমী গল্প দর্শকদের উপহার দিয়েছেন। এবার তিনি এই সিনেমার মাধ্যমে দর্শকদের এক আবেগপূর্ণ যাত্রায় নিয়ে যেতে প্রস্তুত। সমালোচকরা বলছেন, এই সিনেমা প্রেম, ভয়, লোভ, শ্রেণি-সংঘাত এবং টিকে থাকার কঠিন বাস্তবতার এক অস্বস্তিকর প্রতিচ্ছবি।
‘তু ইয়া ম্যায়’ ছবিতে পরিচালক বিজয় নাম্বিয়ার একটি নতুন ধারার সৃষ্টি করেছেন—সারভাইভাল থ্রিলার। যেখানে দুই ভিন্ন মেরুর সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার এবং একটি কুমিরের মধ্যে তৈরি হয় এক অদ্ভুত প্রেম-থ্রিলারের ত্রিভুজ। মুম্বাইয়ের কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ঝলমলে, কৃত্রিম জগতে অবনী শাহ ও মারুতি কদম নামক দুটি মানুষের দেখা হয়। অবনী নিখুঁতভাবে সাজানো জীবনের প্রতিচ্ছবি, যেখানে প্রতিটি পোস্ট ও পদক্ষেপ পরিকল্পিত। অন্যদিকে মারুতি রাস্তায় বড় হওয়া এক র্যাপার, যে নিজের স্থান করে নিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। কাজের সূত্রে তাদের পরিচয়, যা ধীরে ধীরে প্রেমে রূপ নেয়। তবে এই প্রেম আসলে দুটি ভিন্ন শ্রেণির মানুষের মধ্যেকার দূরত্ব, লুকানো হীনমন্যতা এবং ব্যক্তিগত শূন্যতার মুখোমুখি দাঁড়ানো। অবনী চায় তার একাকীত্ব থেকে মুক্তি পেতে, আর মারুতি চায় সামাজিক সিঁড়িতে দ্রুত উপরে উঠতে। তারা দুজনেই নিজেদের পুরোনো পরিচয় বদলাতে চায়। আরও পড়ুনমুক্তির পর বিতর্ক পেরিয়ে শীর্ষে, এই সিনেমায় কী আছে? ২৪ এপ্রিল ২০২৬। ঘনিষ্ঠতার আসল পরীক্ষা শুরু হয়, যখন গোয়ায় পালানোর পরিকল্পনা ভেস্তে যায় বর্ষার দাপটে।
একটি পরিত্যক্ত হোটেলে যান্ত্রিক ত্রুটিতে তারা আটকা পড়ে একটি শুকনো সুইমিংপুলের গভীরে। চারপাশে ধীরে ধীরে জল জমতে থাকে। উপরে ওঠার কোনো পথ খুঁজে পায় না তারা। আর অন্ধকারে ঘুরে বেড়ায় এক ভয়ংকর কুমির। এই পরিস্থিতিতে ভালোবাসা আর বিশ্বাস দ্রুত ভেঙে পড়তে থাকে। তখন ছবির শিরোনামটাই হয়ে ওঠে একটি নির্মম প্রশ্ন—তুমি, নাকি আমি? সমালোচকরা বলছেন, যদিও সিনেমাটির মূল ভাবনা থাই হরর ছবি থেকে নেওয়া, তবে বর্ষাস্নাত মুম্বাইয়ের প্রেক্ষাপটে গল্পটি নতুন সামাজিক মাত্রা পেয়েছে। একবার দেখার মতো একটি সিনেমা। বলিউড হাঙ্গামা, এই সময় অবলম্বনে।।
তনু হত্যাকাণ্ডের মামলায় সাবেক সেনা সদস্য হাফিজুর রহমান জামিনে মুক্তি পেলেন