Published : 23 Mar 2026, 07:06 PM
ইরানের কাছ থেকে কঠোর প্রতিক্রিয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও জ্বালানি স্থাপনায় যেকোনো ধরনের সামরিক অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছেন। আজ সোমবার নিজের সামাজিক মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। ট্রাম্প লিখেছেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। এই আলোচনা মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের বিরুদ্ধে যেকোনো বৈরী কার্যকলাপের চূড়ান্ত সমাধানের পথ খুলে দিতে পারে। আলোচনাটি ছিল খুবই ইতিবাচক এবং ফলপ্রসূ।” তিনি আরও বলেন, “এই গভীর, বিস্তারিত ও গঠনমূলক আলোচনার আবহকে বিবেচনায় নিয়ে আমি প্রতিরক্ষা বিভাগকে ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং জ্বালানি অবকাঠামোতে পাঁচ দিনের জন্য যেকোনো ধরনের হামলা স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছি।
এই আলোচনা সপ্তাহজুড়ে চলবে এবং এর সাফল্য হামলার সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করবে।” তবে ইরানের একটি সূত্র, পরিচয় গোপন রাখার শর্তে ফার্স নিউজকে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে তাদের সরাসরি বা কোনো মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে যোগাযোগ হয়নি। সূত্রটি দাবি করে, ইরান তাদের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি দেওয়ার পরেই ট্রাম্প ‘পিছু হেঁটেছেন’। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ট্রাম্প ইরানের সাথে আলোচনা চলছে বলে জানা গেলেও, সূত্রটি এই ধরনের কোনো যোগাযোগের কথা অস্বীকার করেছে। এসব দাবির সত্যতা যাচাই করা এখনো সম্ভব হয়নি এবং মার্কিন কর্মকর্তাদের কাছ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এর আগে, ট্রাম্প বাংলাদেশ সময় গতকাল রোববার ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার আল্টিমেটাম দিয়ে ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করার হুমকি দিয়েছিলেন।
এর জবাবে ইরান জানায়, যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যের সব বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোতে পাল্টা হামলা চালানো হবে, বিশেষ করে যেগুলোতে মার্কিন মালিকানা রয়েছে। পাশাপাশি, হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া এবং এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে মাইন স্থাপনেরও হুমকি দেয় তেহরান। বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকে প্রণালিটি প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। যুদ্ধ শুরুর পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম কখনো কখনো ৫০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।।
আমিন বাজারের চামড়া হাটে বাণিজ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন: সিন্ডিকেটबाजोंকে কঠোর সতর্কবার্তা