Published : 14 Feb 2026, 01:07 PM
বাংলা দ্বিতীয়পত্র: অনুচ্ছেদ – বইয়ের মেলাবইয়ের মেলা জ্ঞান, আনন্দ আর সংস্কৃতির এক বিশাল উৎসব। এখানে মানুষ নতুন নতুন বিষয় জানতে পারে এবং বই পড়ার প্রতি ভালোবাসা জন্মায়। এটি লেখক, পাঠক ও প্রকাশকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মিলনস্থল। বইয়ের মেলায় নতুন চিন্তা ও ধারণার বিনিময় হয়। দেশ-বিদেশের নানা ধরনের বই এখানে পাওয়া যায়, যা পাঠকদের রুচি ও প্রয়োজন অনুযায়ী পছন্দের বই বেছে নিতে সাহায্য করে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় বইয়ের মেলা জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরে হয়, যেখানে আন্তর্জাতিক প্রকাশনা জগতের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা মিলিত হন। বাংলাদেশে বইয়ের মেলার শুরুটা হয়েছিল ১৯৭২ সালে, মুক্তধারার প্রকাশক চিত্তরঞ্জন সাহার হাত ধরে। এরপর ১৯৭৮ সাল থেকে বাংলা একাডেমি নিয়মিতভাবে ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’ আয়োজন করে আসছে। এই মেলা আমাদের ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে বাঁচিয়ে রাখে এবং দেশের সংস্কৃতিকে তুলে ধরে। অমর একুশে গ্রন্থমেলায় শুধু বই কেনাবেচা হয় না, এখানে সাহিত্য নিয়ে আলোচনা, কবিতা পাঠ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং গবেষণার কাজও হয়।
২০১৪ সাল থেকে এই মেলার স্থান বাংলা একাডেমির বাইরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেও বিস্তৃত হয়েছে। প্রতি বছর দেশের প্রধান ব্যক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে এই মেলার উদ্বোধন করেন। বইয়ের মেলা মানুষের মধ্যে পড়ার অভ্যাস তৈরি করতে খুব সাহায্য করে। আরও পড়ুনজেন-জিদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে শিক্ষাপ্রযুক্তি কি বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে?২ ঘণ্টা আগে রেলপথ – মানুষের জীবনযাত্রার এক গুরুত্বপূর্ণ অংশরেলগাড়ি মানুষের যাতায়াতের জন্য সহজ, জনপ্রিয় এবং নির্ভরযোগ্য একটি মাধ্যম। এটি লোহার দুটি সমান্তরাল পথের উপর দিয়ে নির্দিষ্ট পথে চলে। রেলগাড়িতে একটি ইঞ্জিন থাকে এবং তার সাথে অনেকগুলো বগি যুক্ত থাকে। বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কারের ফলে রেলগাড়ির জন্ম হয়েছিল। বর্তমানে আধুনিক ডিজেল ও বিদ্যুৎচালিত ইঞ্জিন ব্যবহারের ফলে রেলগাড়ি অনেক দ্রুত ও আরামদায়ক হয়েছে। আজকের বিশ্বে মানুষ ও পণ্য পরিবহনে রেলগাড়ি খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জর্জ স্টিফেনসনের চেষ্টায় ১৮২৫ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ইংল্যান্ডে প্রথম রেলগাড়ি চলাচল শুরু হয়।
ব্রিটিশ আমলে ভারতীয় উপমহাদেশে রেলগাড়ির যাত্রা শুরু হয়। ১৮৬২ সালে দর্শনা থেকে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত ৫৩.১১ কিলোমিটার রেলপথ তৈরি করা হয়, যা ছিল বাংলাদেশের প্রথম রেলপথ। বাংলাদেশে রেলওয়ে একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান, যা রেলগাড়ি পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে। কয়েক বছর আগে বাংলাদেশে মেট্রোরেল চালু হয়েছে, যা রাজধানী ঢাকার যানজট কমাতে সাহায্য করছে। রেলপথ সাধারণত তিন ধরনের হয়—ব্রডগেজ, মিটারগেজ ও ন্যারোগেজ। বর্তমানে বাংলাদেশে ব্রডগেজ ও মিটারগেজ রেলপথ চালু আছে। দেশের অধিকাংশ জেলায় রেলগাড়ি চলাচল করে এবং ভারতের সাথেও রেল যোগাযোগ রয়েছে।।
টাকা পাচার রুখতে 'বেনিফিসিয়াল ওনারশিপ রেজিস্টার' তৈরির উদ্যোগ: অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা