Published : 15 Apr 2026, 09:07 AM
সালাদ কতটা উপকারী, তা আসলে এর উপকরণ আর তৈরির ওপর নির্ভর করে। শুধু সবজি দিয়ে সালাদ বানালেই হবে না, বরং এতে যেন বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদান থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। সালাদের পরিমাণটাও জরুরি। মনে রাখবেন, সব সালাদে প্রোটিন থাকে না। শরীরকে সুস্থ রাখতে এবং ক্ষয় পূরণ করতে প্রোটিনের বিকল্প নেই। তাই সালাদে অল্প মাংস বা ডিম যোগ করতে পারেন। এছাড়া, উদ্ভিজ্জ প্রোটিনও রাখতে পারেন। বিভিন্ন ধরনের বাদাম এবং বীজ সালাদের পুষ্টিগুণ আরও বাড়িয়ে দেয়। শুধু ফল বা সবজির সালাদ খেতে চাইলে, এর সাথে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার অবশ্যই রাখুন। শর্করা বা ফ্যাট একেবারে বাদ দেওয়া উচিত নয়। বরং, হজম হতে সময় লাগে এমন শর্করা এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট সালাদে যোগ করুন।
অথবা, সালাদের সাথে এই উপাদানগুলো আছে এমন খাবার খান। ভুট্টা, বেবিকর্ন, বাজরা, কুইনোয়া, চিঁড়া অথবা সামান্য ভাজা চাল স্বাস্থ্যকর সালাদের ভালো উপাদান হতে পারে। এই শস্যগুলো থেকে পুষ্টি আর তৃপ্তি দুটোই পাওয়া যায়। অল্প অলিভ অয়েল দিয়ে সালাদ মাখিয়ে নিতে পারেন। বাদাম যোগ করলে এটি স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের উৎসও হবে। অলিভ অয়েল ভালো, তবে অতিরিক্ত ব্যবহার করা উচিত নয়। মিষ্টি সিরাপ বা ক্রিমি ড্রেসিং এড়িয়ে চলুন। চিনি ব্যবহার না করাই ভালো, তবে প্রয়োজন হলে অল্প মধু ব্যবহার করতে পারেন। লেবুর রসও ব্যবহার করা যেতে পারে। লবণের ব্যবহার সীমিত রাখুন। পনিরের মতো টপিং কম ব্যবহার করুন।
চাল, আলু বা মিষ্টি আলুতে ক্যালোরির পরিমাণ বেশি থাকে, তাই এগুলো খেয়াল রাখুন। টিনজাত খাবার, সসেজ বা প্রক্রিয়াজাত মাংস এড়িয়ে চলুন। বাড়িতে সেদ্ধ করা মাংস সালাদে ব্যবহার করুন। আরও পড়ুন: পুষ্টিগুণে ভরপুর কুইনোয়া দিয়ে সালাদ বানানোর রেসিপি ০১ জুলাই ২০২৫ অতিরিক্ত কাঁচা সবজি খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে। তাই সবজির পরিমাণে খেয়াল রাখুন। ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকলি, কাঁচা পেঁপে, গাজর বা মটরশুঁটি সামান্য ভাপিয়ে নিতে পারেন। সালাদের অনেক উপকরণ কাঁচা থাকে, তাই পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া জরুরি। তা না হলে স্বাস্থ্যকর ভেবে খাওয়া সালাদ থেকেই রোগ ছড়াতে পারে। আরও পড়ুন: পোলাও-বিরিয়ানির সাথে কীভাবে সালাদ-বোরহানি খাবেন ২৫ মার্চ ২০২৬।