Published : 11 Aug 2026, 03:16 PM
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা কি এনটিআরসিএ-র (বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ) হাত থেকে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির কাছে স্থানান্তরিত হবে—এই বিতর্কের জন্ম দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা। এই বিষয়ে শিক্ষাবিদ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এই প্রেক্ষাপটে শিক্ষামন্ত্রী ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছিলেন যে, এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকার কর্তৃক গৃহীত হয়নি। সোমবার (১০ আগস্ট ২০২৬) রাতে তাঁর অফিসিয়াল পেজে অ্যাডমিনের মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়। ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এনটিআরসিএ-র কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও দক্ষভাবে পরিচালনার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় পর্যালোচনা করছে।
ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডি কর্তৃক শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি। এই বিষয়ে ভুল তথ্য ছড়ানো যেন না হয়, সেদিকে সকলের প্রতি অনুরোধ।’ তবে এই সরকারি বক্তব্যের বিপরীতে ৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত এক সভার কার্যবিবরণীতে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি সিদ্ধান্ত উঠে এসেছে। সভায় স্থির হয় যে, এখন থেকে এনটিআরসিএ এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করবে না। এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশও দেওয়া হয়। এই সভার সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী।
সভায় উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং এনটিআরসিএ-র চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আলিফ রুদাবাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। কার্যবিবরণীতে স্পষ্ট উল্লেখ আছে যে, আইন অনুযায়ী এনটিআরসিএ এখন থেকে কেবল নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের কাজ করবে এবং ২০১৫ সালের পরিপত্র অনুসারে প্রতিষ্ঠানগুলো আর শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করবে না। এই ভিন্নতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও সভায় সুপারিশ সংক্রান্ত আলোচনা হয়েছে, তবুও মন্ত্রণালয় থেকে এনটিআরসিএ-তে আনুষ্ঠানিক কোনো নির্দেশনা এখনো জারি হয়নি বলে জানা গেছে।।
ইউ-বোট থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী: সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর বিশ্লেষণ