Published : 24 May 2026, 01:16 PM
চট্টগ্রাম শহরের বাকলিয়া এলাকায় এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। চার বছরের একশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত এক যুবককে দীর্ঘ আট ঘণ্টা অবরুদ্ধ রাখার পর পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় জনতা ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডাক্তার শাহাদাৎ হোসেন হাসপাতালে আহত শিশুটির সাথে দেখা করেছেন এবং কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে, কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না। চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) উপ- কমিশনার (দক্ষিণ) হোসেন মোহাম্মদ কবির ভুঁইয়া জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তকে গণপিটুনি দিতে উদ্যত হলে, পুলিশ তাকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ মৃদু সাউন্ড গ্রেনেড ও গ্যাস ব্যবহার করতে বাধ্য হয়।
সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যসহ সাধারণ নাগরিকরাও আহত হয়েছেন। সিএমপির সহকারী কমিশনার (গণমাধ্যম) আমিরুল রশীদ জানান, বিক্ষুব্ধ জনতা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে পুলিশের অন্তত ১০ সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ ও এপবিএন মোতায়েন করা হয়েছে। জনতা একটি পুলিশের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এর আগে, বাকলিয়া থানা এলাকায় চার বছরের একশিশুকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তারা অভিযুক্ত যুবক যে ভবনে আশ্রয় নিয়েছিল, সেটি ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু করে এবং তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিক্ষোভকারীরা অভিযুক্তকে ছিনিয়ে নিতে চাইলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেল ৫টার দিকে বাকলিয়ার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান ঘাটা আবু জাফর রোড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। রাতেও উত্তেজিত জনতা রাস্তায় অবস্থান নিয়ে পুলিশের গাড়ি আটকে রাখে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, চেয়ারম্যান ঘাটার একটি ডেকোরেশনের দোকানের কর্মচারী চার বছরের একশিশুকে দোকানে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে জড়ো হয় এবং অভিযুক্ত যুবককে ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু করে।।
ইরানের ইউরেনিয়াম: ‘কোনোভাবেই হাতছাড়া হতে দেব না’ - ট্রাম্পের কঠোর বার্তা